
বার্তা সংস্থা ইকনা: সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেছেন, বলদর্পী দেশগুলো ইরানের ওপর আঘাত হানতে সব ধরনের পন্থা অবলম্বন করবে। তবে তারা সামরিক শক্তির ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। তিনি বলেন, ইরানের যদি কোনো প্রতিরক্ষা শক্তি না থাকে এবং শুধুমাত্র সংলাপ ও অর্থনৈতিক লেনদেন এমনকি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকেই গুরুত্ব দেয় তাহলে বিশ্বের খুব ছোট দেশগুলোও ইরানকে হুমকি দিতে কুণ্ঠাবোধ করবে না।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শত্রুরা তাদের লক্ষ্য হাসিলের জন্য সব ধরনের পন্থা অবলম্বন করছে। ফলে আমাদেরকেও সব ক্ষেত্রে প্রস্তুত থাকতে হবে। যারা বলছে আগামীর বিশ্ব হচ্ছে সংলাপের, ক্ষেপণাস্ত্রের নয় তাদের সমালোচনা করে সর্বোচ্চ নেতা বলেন- তারা যদি অজ্ঞতার কারণে এ কথা বলে থাকেন তাহলে তা অজ্ঞতা, কিন্তু যদি জ্ঞাতসারে এ ধরনের কথা বলে থাকেন তাহলে তা বিশ্বাসঘাতকতা।
আয়াতুল্লাহিল
উজমা খামেনেয়ি আরও বলেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর
ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দেখে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের ওপর ক্ষুব্ধ
জাতিগুলো খুশি হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আলোচনার বিরোধী নই। তবে শক্তিশালী
অবস্থানে থেকে সতর্কতার সঙ্গে সংলাপ করতে হবে।