
বর্তা সংস্থা ইকনা: হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়্যেদ মিরবাকেরী বলেন, কখনো আবার শাফায়াতকে মাকামে মাহমুদও বলা হয়। সূরা ইসরার ৭৯ নং আয়াতে বলা হয়েছে:«وَ مِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نافِلَةً لَکَ عَسي أَنْ يَبْعَثَکَ رَبُّکَ مَقاماً مَحْمُوداً» এবং রাতের একাংশে তাহাজ্জুদ-নামায আদায় কর, এটা (এ সুন্নাত) তোমার জন্য অতিরিক্ত (ইবাদাতস্বরূপ); অনতিবিলম্বে তোমার প্রতিপালক (এরূপে) তোমাকে প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দেবেন।
শাফায়াত এমন একটি মর্যাদা যার প্রতি প্রতিটি সৃষ্টিই মুখাপেক্ষী। অনেক মুফাসসির এটাকে মাকামে শাহমুদের সাথেও তুলনা করেছেন।
ইমাম সাজ্জাদের(আ.) এক দাসের স্ত্রী ইমাম বাকেরকে(আ.) বলেন: আপনারা যে সর্বদা শাফায়াতের কথা বলেন এর কারণে অনেকেই অহংকারী এবং গোনাগার হয়ে পড়ছে। কেননা তারা যাই করুক রাসূল(সা.) ও তার আহলে বাইত তাদেরকে শাফায়াত করবেন।
ইমাম বাকের(আ.) তার জবাবে বলেন: «أَغَرَّكَ أَنْ عَفَّ بَطْنُكَ وَ فَرْجُكَ؛ তুমি কি মনে করছে অনেক বড় পরহেজগার হয়ে গেছে এবং তোমার আর কোন শাফায়াতের দরকার হবে না?
তুমি যে সামান্য ইবাদত করে মনে করছ তোমার আর কোন শাফায়াতের দরকার হবে না।«أَمَا لَوْ قَدْ رَأَیتَ أَفْزَاعَ الْقِیامَةِ؛ যদি কিয়ামতের দৃশ্যকে দেখতে পেতে এবং সেখানে তোমার নামাজ রোজা যে কত নগন্য তা যদি বুঝতে পারতে তাহলে শাফায়াত পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠতে।
কিয়ামতের দিন আহলে বাইত রাসুলের কাছে তার উম্মতের শাফায়াত করবেন আর রাসূল(সা.) বাবে রাহমানে গিয়ে আল্লাহর কাছে সিজদা করে তার উম্মতের শাফায়াত চাইবেন। তখন আল্লাহ বেহেশতের দরজা খূলে দিবেন।
কিয়ামতের দিন রাসূল(সা.) ও তার পবিত্র আহলে বাইত তাদের অনুসারীদের শাফায়াত করবেন। অর্থাত প্রথমে তাদেরকে সকল প্রকার গোনাহ থেকে পাক করে নিবেন অত:পর বেহেশতে নিয়ে যাবেন। কেননা বেহেশতে কোন গোনাহগারদের স্থান হবে না। শুধূমাত্র পাক-পবিত্র ও ভাল মানুষরাই বেহেশতবাসী হবে।