IQNA

নিউইয়র্কের ফ্লাইট থেকে ফেরানো হল ছয় মুসলিমকে

20:51 - January 30, 2017
সংবাদ: 2602452
নিউইয়র্কের ফ্লাইট থেকে ফেরানো হল ছয় মুসলিমকে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাঁচ ইরাকি ইরবিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে কায়রোতে ট্রানজিট নেন। আর আটকে পড়া ইয়েমেনি কায়রো থেকেই যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছিলেন।
যুগান্তরের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা: সাত মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু হয়েছে। শনিবার ভিসা থাকার পরও ইরাকের পাঁচজন এবং এক ইয়েমেনিকে মিসরের কায়রো বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কগামী ইজিপ্টএয়ারের বিমানে উঠতে দেয়া হয়নি।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেন। ওই আদেশে বলা হয়, মুসলিম অধ্যুষিত সাত দেশ ইরাক, সিরিয়া, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেন থেকে আগামী ৯০ দিন কেউ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবে না।
এছাড়া আগামী চার মাস আর কোনো শরণার্থী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পাবে না। সিরীয় শরণার্থীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত।
রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্পের আদেশের অংশ হিসেবেই শনিবার ওই ছয় যাত্রীকে আটকে দেয়া হয়ে থাকতে পারে। কায়রো বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ওই ছয় যাত্রী কায়রো বিমানবন্দরে ট্রানজিট নেন। সেখান থেকে নিউইয়র্কগামী ফ্লাইটে উঠতে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরকর্মীরা তাদের আটকে দেয় এবং ওই ছয়জনকে সেখান থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে যাওয়ার বিমানে তুলে দেয়া হয়। যদিও যাত্রীদের সবার কাছেই বৈধ ইমিগ্রেশন ভিসা ছিল।
ইজিপ্টএয়ারের ফ্লাইট ৯৮৫-এ করে তাদের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে যাওয়ার কথা ছিল বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
পাঁচ ইরাকি ইরবিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে কায়রোতে ট্রানজিট নেন। আর আটকে পড়া ইয়েমেনি কায়রো থেকেই যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছিলেন। ওই ছয় ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী প্রকল্পের আওতায় ভিসা পেয়েছিলেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে রয়টার্সকে জানান জাতিসংঘের এক মুখপাত্র।
এদিকে শুক্রবার নিউইয়র্কে অবতরণ করা দুই ইরাকি শরণার্থীকে আটক করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। আগে থেকেই তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অনুমতিসংবলিত গ্রান্ট ভিসা থাকলেও ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পর তাদের আটকানো হয়।
তাদের মুক্তির আর্জি জানিয়ে ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাদের আইনজীবীরা।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, আটককৃত দুই শরণার্থী হচ্ছেন হামিদ খালিদ দারবিশ, যিনি মার্কিন সরকারের পক্ষে ইরাকে ১০ বছর কাজ করেছেন এবং হায়দার সামির আবদুল খালেক আলশাবি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তার স্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছিলেন।

captcha