
বার্তা সংস্থা ইকনা: মিশরের 'শাব্রাল খাইমাহ' শহরের আদালতে ২৬শে ফেব্রুয়ারিতে শেখ মিযুর বিচার করা হয়। সেদেশর আলেম এবং ইসলামিক গবেষক শেখ মিযুকে ইসলামের পবিত্র সম্পদের অবমাননা করার জন্য এই শাস্তি প্রদান করা হয়।
মিসরীয় আইনজীবী সমীর সাবরি প্রমাণ করেন, এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে শেখ মিযু হযরত মুহাম্মাদ (সা.) হতে বর্ণিত কিছু হাদীস যেগুলো আহলে সুন্নতের আলেমগণ মুয়াস্সাকা হিসেবে গণ্য করেন, সেগুলোকে অস্বীকার করেন এবং একারণে তাকে ইসলাম ধর্মের পবিত্র সম্পদের অবমাননাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।
নিরাপত্তা প্রশাসন 'আল কুলিউবিয়া' বলেছে, রায় ঘোষণার পর এই প্রদেশের একটি জেলা শেখ মিযুকে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং পাঁচ বছর ঐ জেলে কারাবন্দিরত অবস্থায় থাকবে।
এদিকে শেখ মিযুর আইনজীবী আহমেদ আব্দেহ মাহের এক বার্তায় বলেছেন, রায় ঘোষণার পর শেখ মিযু কারাগারে অনশন করেছে।
বলাবাহুল্য, তিন মাস পূর্বে শেখ মিযু ফেসবুকে তার ব্যক্তিগণ পেজে লিখেছে, তিনি হযরত মাহদী (আ.)। তিনি দুনিয়াতে ন্যায় বিচারে পরিপূর্ণ করার জন্য এসেছে এবং শিয়া ও সুন্নি সহ সকল মুসলমানদেরকে তার হাতে বাইয়াত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।