বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: রাসূলের দায়িত্ব হলো, আল্লাহর বাণী ও বিধি-বিধান পৌঁছে দেয়া এবং জনগণকে ভালো কাজের সুসংবাদ ও মন্দ কাজের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া। অপরপক্ষে ইমামের দায়িত্ব হলো সমাজে ওই বিধি-বিধান বাস্তবায়ন করা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
সূরা বাকারার এ আয়াতে স্পষ্টভাবে বলে দেয়া হয়েছে যে, وَ إِذِ ابْتَلي إِبْراهيمَ رَبُّهُ بِکَلِماتٍ فَأَتَمَّهُنَّ قالَ إِنِّي جاعِلُکَ لِلنَّاسِ إِماماً قالَ وَ مِنْ ذُرِّيَّتي قالَ لا يَنالُ عَهْدِي الظَّالِمينَ؛ ইমামত আল্লাহর অঙ্গীকার ও আমানত, যা জালিম, অন্যায়কারী ও গুনাহগার ব্যক্তিরা পাবে না। এ আয়াত থেকে বুঝা যায়, যারা জীবনে গুনাহ করেছে তারা ইমামতের দায়িত্ব পেতে পারে না।
শিয়া মুসলমানরা এ জন্যই বিশ্বাস করে যে, তাদের ১২জন ইমাম হচ্ছেন সম্পূর্ণরূপে পাক ও পবিত্র এবং তারা কখনোই কারও উপর জুলুম করেন না।
সুতরাং এ থেকে বোঝা যায় যে ইমামত এমন একটি মর্যাদা যা অর্জন করতে হয় শুধুমাত্র নবীর বংশধর হলেই চলে না।
ইমামত আল্লাহর অঙ্গীকার ও আমানত। আর এ জন্যই ইমামকে নির্বাচন করা যায় না। ইমামকে খোদা নিজেই নির্ধারণ করেন। যেভাবে তিনি নবী নির্ধারণ করেন ঠিক সেভাবেই তিনি ইমাম নির্ধারণ করেন। কেননা ইমামের এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে যা খোদা ছাড়া কেউ জানে না।
ইমাম মানুষের সকল খবর জানেন এবং তিনি যে পথকে নির্বাচন করেন তার সঠিক পরিণতি সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। সূত্র: শাবিস্তান