IQNA

জাতীয় তদন্ত সংস্থার হাতে ৭ হুররিয়াত নেতা গ্রেফতার, বনধের ডাক

22:36 - July 24, 2017
সংবাদ: 2603496
জাতীয় তদন্ত সংস্থার হাতে ৭ হুররিয়াত নেতা গ্রেফতার, বনধের ডাক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের ৭ হুররিয়াত নেতাকে আজ গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা এনআইএ। গ্রেফতার হওয়া নেতারা হলেন ফারুক আহমেদ দার ওরফে বিট্টা কারাটে, নঈম খান, শহিদুল ইসলাম, আলতাফ আহমেদ শাহ্, মেহেরাজউদ্দিন কালওয়াল, আইয়াজ আকবর এবং পীর সাইফুল্লাহ। সন্ত্রাসে অর্থায়ন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ওই নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাতীয় তদন্ত সংস্থার হাতে ৭ হুররিয়াত নেতা গ্রেফতার, বনধের ডাক
বার্তা সংস্থা ইকনা: যৌথ প্রতিরোধ  আন্দোলন ওই ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে আগামীকাল (মঙ্গলবার) কাশ্মিরে বনধের ডাক দিয়েছে। প্রতিরোধ আন্দোলনের এক মুখপাত্র হুররিয়াত নেতাদের গ্রেফতারের ঘটনাকে প্রতিশোধমূলক, নির্বিচার ও অবৈধ বলে অভিহিত করেছেন।

আজ ফারুক আহমেদ দারকে দিল্লি থেকে এবং অন্য নেতাদের কাশ্মিরের শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে আনা হচ্ছে।

বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এনআইএ গত এক মাসের মধ্যে ওই নেতাদের বেশ কয়েকবার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

এনআইএ গত ৪ জুন জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসে আর্থিক মদতদাতা চক্রের খোঁজ পেতে শ্রীনগর, দিল্লি ও হরিয়ানার মোট ৩৩টি স্থানে তল্লাশি চালায়। এতে হিজবুল মুজাহিদীন ও লস্কর ই তাইয়্যেবার লেটারহেড, নগদ আড়াই কোটি টাকা ও ৮৫টি সোনার কয়েন উদ্ধার হয়।

গত মাসে লস্কর ই তাইয়্যেবা প্রধান হাফিজ সাঈদের বিরুদ্ধে বেআইনি অর্থ লেনদেন আইনে (পিএমএলএ) মামলা রুজু করে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।

জম্মু-কাশ্মিরে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে মদত দেয়ার জন্য দেশের ভিতর ও বাইরে থেকে হুন্ডি এবং অন্য বেআইনি উপায়ে কীভাবে অর্থ পাচার করা হচ্ছে, তা তদন্ত করছে ইডি।

নঈম খান নামে এক কাশ্মিরি নেতা উপত্যকায় নিরাপত্তাবাহিনীকে পাথর ছুঁড়ে মারা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য লস্কর ই তাইয়্যেবাসহ কয়েকটি সংগঠনের কাছে থেকে টাকা পেয়েছে বলে স্বীকার করেছে এমন দাবি করা হচ্ছে। ওই ঘটনার কয়েকদিন পরেই এনআইএ দেশের বিভিন স্থানে তল্লাশি চালায়।

এনআইএ’র দাবি, হিজবুল মুজাহিদীন, লস্কর ই তাইয়্যেবা ও অন্য সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগসাজশে হুররিয়াত কনফারেন্স অবৈধভাবে ও হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করছে। কাশ্মির উপত্যাকায় অশান্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে ওই অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও এনআইএ দাবি করেছে। 

পার্সটুডে
ট্যাগ্সসমূহ: ইকনা ، ভারত ، মুসলিম
captcha