ইমাম মাহদীর একজন প্রকৃত প্রতীক্ষাকারী অনেক উদার এবং দানশীল। কেননা ইমাম মাহদী (আ.) নিজেও তার রাষ্ট্রে এত বেশী দান খয়রাত করবেন যে তখন আর কোন অভাবী লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: ইমাম মাহদীর আবির্ভাব যে শুধু আমাদের পার্থিব সমস্যার সমাধান করবে তা নয় বরং তিনি আমাদের আত্মিক সমস্যারও সমাধান করবেন।
মানুষ সর্বদা ঝগড়া বিবাদ এবং ফেতনা ফ্যাসাদে জর্জরিত। আল্লাহ নবী পাঠিয়ে তাদেরকে শান্তির মুখ দেখিয়েছেন। ঠিক ইমাম মাহদীও মানুষের সকল ঝগড়া বিবাদ মিটিয়ে তাদের মধ্যে শান্তি ও সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা করবেন।
ইমাম মাহদীর তার রাষ্ট্রের সবার থেকে অঙ্গিকার নিবেন যে, তারা যেন পরস্পরের গিবত না করে, আমর বিল মারুফ এবং নাহি আনিল মুনকার করে, কারও সম্মান নষ্ট না করে সকল প্রকার পাপ এবং গোনাহ থেকে দূরে তাকে এবং মুত্তাকী পরহেজগার হয়।
ইমাম জাফর সাদিক(আ.) বলেছেন: «وَ لَوْ أَدْرَکْتُهُ لَخَدَمْتُهُ أَیامَ حَیاتِی؛ আমি যদি ইমাম মাহদীর যুগে থাকতাম তাহলে তার খাদেম হিসাব কাজ করতাম।
ইমাম সাদিক(আ.) একারণেই সালমান ফার্সীকে অধিক পছন্দ করতেন যে তিনি সর্বদা মহানবী এবং মাওলা আলীর অনুগত ছিলেন। তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সব করতেন, জ্ঞানী ও জ্ঞানকে পছন্দ করতেন এবং গরিবদের সম্মান দিতেন ও তাদেরকে দান করতেন।