
বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: টানা দুইবার সময়সীমা পেছানোর পর তালেবানের হামলার হুমকি নিয়ে দেশজুড়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম থাকবে।
খবরে বলা হয়, ভোট গ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রে হামলার হুমকি দিয়েছে তালেবান। তবে নির্বাচনী প্রার্থীরা বলছেন, ওই হুমকি ভুয়া। ২০০১ সালে মার্কিন হস্তক্ষেপের পর আফগানিস্তানে এটি চতুর্থতম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সম্প্রতি দেশজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়ছে। নির্বাচনে যিনিই জয়ী হন না কেন, তাকে ১৮ বছর ধরে যুদ্ধে লিপ্ত ও ক্ষয়প্রাপ্ত একটি জাতির নেতৃত্ব দিতে হবে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তালেবানের একটি শান্তিচুক্তি শেষ পর্যায়ে গিয়ে ভেস্তে যায়। এরপর থেকে দেশজুড়ে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে তালেবানরা। নির্বাচনী প্রচারণায়ও চালানো হয়েছে হামলা। মৃত্যু হয়েছে শত শত মানুষের। এই নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৯৭ লাখ। এদের তিন ভাগের এক ভাগই নারী। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার ঝুঁকি থাকায় নিবন্ধিত ভোটারদের অর্ধেকেরও কম ভোট দেবেন। তালেবানের এক মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানান, এদিন কোনো প্রানহানী হলে সেটার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী।
এদিকে, নির্বাচনের আগ দিয়ে আফগান সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নিতীর অভিযোগ এনেছে মার্কিন সরকার। নির্বাচন উপলক্ষে দেশজুড়ে ৫ হাজার ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হামলার আতঙ্কে ২ হাজার ৪০০’র বেশি ভোটকেন্দ্রই বন্ধ রাখা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল আগামী মাসে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সরকারি কর্মকর্তারা। iqna