
এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে: কারবালা ১৩ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলমান দীর্ঘ ঐতিহ্য অনুসারে আবা আবদুল্লাহ আল-হুসাইন (আ.) এবং তাঁর ভাই হযরত আবুল-ফজল আল-আব্বাস (আ.)এর ১৪২৪ হিজরির আরবাইনের অনুষ্ঠান যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এই মাজারগুলোর খাদেমগণ জিয়ারতকারীদের সেবা করে নিজেদেরকে সম্মানিত ও গর্বিত করেছেন।
হযরত আব্বাস (আ.)এর পবিত্র মাযারের যোগাযোগ অফিস কর্তৃক কারবালা শহরের প্রধান প্রবেশদ্বারে ইলেকট্রনিক গণনা ব্যবস্থা অনুসারে এ বছরের জিয়ারতকারীদের সংখ্যা ঘোষণা করা হয়েছে: ১৪৪২ হিজরিতে ইমাম হুসাইন (আ.)এর আরবাইন তথা চল্লিশা উপলক্ষে নবম সফর থেকে ২০ সফলের আসর পর্যন্ত কারবালা-বাগদাদ, কারবালা-নাজাফ, কারবালা-ব্যবিলন, কারবালা-হুসাইনা এবং কারবালা-আলহুর শহর থেকে মোট ১,৪৫,৫৩,৩০৮ জন জায়ের কারবালায় উপস্থিত হয়েছেন।
এই বিবৃতিতে গতবছরে জিয়ারতকারীদের সংখ্যা উল্লেখ করা বলা হয়েছে: ১৪৪১ হিজরিতে মোট ১,৫২,২৯,৯৫৫ জন জায়ের ইমাম হুসাইনের (আ.) চল্লিশায় অংশগ্রহণ করেছেন।
এই বছরে আরবাইনের পদযাত্রাটি করোনাভাইরাস বিরুদ্ধে অভূতপূর্ব ব্যবস্থা গ্রহণের পরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইরাকি সরকার অন্যান্য দেশের জায়েরদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার জন্য একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং প্রতি দেশ থেকে সীমিত সংখ্যক জায়েরদের ইরাকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। iqna