
যায়নাবিয়্যাহ ওয়েব সাইটের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা : তুরস্কের শিয়া নেতা শেখ সালাহুদ্দীন উযগুন্দুজ ইস্তাম্বুলের হালকালি অঞ্চলে অবস্থিত মসজিদে বক্তৃতায়, সিরিয়া ও ইরাকে তাকফিরি গ্রুপগুলোর অপরাধকর্ম এবং ইয়েমেন ও বাহরাইনের গণজাগরণের বিষয়ে সৌদি আরব ও কাতারের নীতির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন : মুসলিম জাহানের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে এ দু’টি দেশ। তারা সন্ত্রাসীদেরকে সহযোগিতা করে। সন্ত্রাসীরা আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান ইসলামি সংস্কৃতি ও সভ্যতার সকল প্রাচীন নিদর্শনগুলো ধ্বংস করে চলেছে।
তুরস্কের এ শিয়া নেতা বলেন : সম্প্রতি তারা মসুলের প্রাচীন মসজিদ ও গীর্জায় অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি শহরের যাদুঘরে থাকা ৭ হাজার বছরের প্রাচীন নিদর্শনেও অগ্নিসংযোগ করেছে।
তার সংযোজন : ৮ হাজার বছরের প্রাচীন হস্তলিখিত দূর্লভ গ্রন্থও আগুনে পুড়িয়েছে তারা। হিংস্র এ দানবেরা ইসলামের নামে ইসলামি নিদর্শনসমূহকে ধ্বংস করে চলেছে। সন্ত্রাসী এ দলের সাহায্যকারীরা কি তাদের দ্বীন ধর্মের সামনে লজ্জিত নয়? কোন মাযহাব তাদেরকে এ ধরনের কাজ করার অনুমতি দেয়, খাওয়ারেজরাও তো এমন হিংস্র ছিল না।
বলাবাহুল্য, সম্প্রতি আইএসআইএল মসুল শহরের প্রাচীন সভ্যতা এবং যাদুঘর ধ্বংস করেছে। হাজার হাজার বছরের পুরোনো স্ট্যাচু ধ্বংস ও প্রাচীন গ্রন্থে অগ্নিসংযোগের ছবি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক সমাজের বিভিন্ন মহল থেকে এর সমালোচনা করা হয়েছে।