
বার্তা সংস্থা ইকনা: ১৮ই আগস্ট অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে সেদেশের অধ্যাপক, শিক্ষার্থী এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিত ছিলেন। মিল্লি জামিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কাইভ বিভাগের প্রধান সাবিয়া জেইদি মূল্যবান বক্তৃতা পেশ করে। এ প্রদর্শনী সফল ভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সহযোগিতা করেছেন ইরানী কালচারাল কাউন্সিলার। আর এ জন্য সাবিয়া জেইদি তার প্রশংসা করেছেন।
ভারতে অবস্থিত ইরানী কালচারাল সেন্টারের উপদেষ্টা জনাব আলেমী তার নিজ বক্তৃতায় বলেন: এ প্রদর্শনীর মূল বার্তা হচ্ছে পবিত্র কুরআনের বার্তা; রহমত এবং বন্ধুত্বের বার্তা।
এ প্রদর্শনীতে বিভিন্ন বর্ণমালায় ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ «بسم الله الرحمن الرحیم» লেখা প্রদর্শন হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন: পবিত্র কুরআনের প্রতিটি সূরাই এ আয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। আর এর অর্থ হচ্ছে ইসলাম রহমতের ধর্ম এবং এ ধর্মে সহিংসতার কোন স্থান নেই।
তিনি বলেন: আজ এ প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে এ প্রদর্শনী থেকে দর্শকরা যা অর্জন করেছে তা কখনোই শেষ হবার নয়। আমাদের সকলেই উচিত পবিত্র কুরআনে নিজেদের আদর্শ হিসবে ব্যবহার এবং অনুসরণ করা।
বলাবাহুল্য, এ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য নির্বাচিত মন্ত্রী নজমা হোবিয়াতুল্লাহ, মিল্লি জামিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান তালয়াত আহমেদ, ইরানী রাষ্ট্রদূত আনসারী এবং ভারতের সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক ব্যক্তিমণ্ডলি উপস্থিত ছিলেন।
3345488