IQNA

ওমিক্রনের আতঙ্কের মধ্যেই নতুন করোনা 'ইহু', ফ্রান্সে আক্রান্ত ১২

20:07 - January 04, 2022
সংবাদ: 3471231
তেহরান (ইকনা): করোনার রূপ ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের শেষ হতে না হতে ফের ভাইরাসের নতুন রূপের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। এমনই দাবি করেছেন ফ্রান্সের একদল বিজ্ঞানী। ফ্রান্সের মেডিটেরানি ইনফেকশন নামে সংস্থার গবেষকরা কভিডের এই রূপের নাম দিয়েছেন ইহু।
গবেষকদের দাবি- এই নতুন রূপটিতে ভাইরাসের অন্তত ৪৬টি মিউটেশন হয়েছে। ফলে এর সঙ্গে লড়াইয়ে কভিডের চলতি টিকাগুলো কার্যকরী না হতেও পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
 
IHU তথা B.1.640.2 স্ট্রেনটিতে ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন ফ্রান্সের ১২ জন নাগরিক। তাঁরা সবাই আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুনে বেড়াতে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। তবে ওই স্ট্রেনটির উৎস সেখানেই কি না তা এখনো জানা যায়নি।
 
ফ্রান্সের মার্সেই শহরে অনেকেই নিয়মিত আফ্রিকার দেশগুলোতে যাতায়াত করেন। বিশেষত ক্যামেরুনে তাঁরা বেশি যান। সে দেশ থেকে ভাইরাসের এই নয়া রূপ রোগীর শরীরে প্রবেশ করছে কি না তা বোঝার চেষ্টা করছেন গবেষকরা।
 
বর্তমানে করোনার ওমিক্রন রূপই বিশ্বে বিভিন্ন প্রান্তে প্রভাবশালী ভূমিকায় রয়েছে। কিন্তু ভাইরাসের এই নয়া রূপ ইহু কতটা সংক্রামক তা এখনো স্পষ্ট করে গবেষকরা কিছু জানাননি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, শুধু ফ্রান্সেই কয়েকজন রোগীর শরীরে এর উপস্থিতির কথা জানা গেছে। তাই একে করোনার নয়া রূপ বলার আগে আরো খতিয়ে দেখতে চাইছেন তারা।
 
এ প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ টুইট করেছেন মহামারি বিশেষজ্ঞ এরিক ফেইগল-ডিং। তার মতে, এখন করোনার নতুন রূপগুলো একের পর এক আসতে থাকবে। তার মানে এই নয় যে তার প্রতিটিই বিপজ্জনক। সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে এটির বিপজ্জনক হয়ে ওঠা। মূল ভাইরাসটি থেকে কতগুলো মিউটেশন হচ্ছে, তা-ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে তিনি জানিয়েছেন।
 
গত ২৪ ডিসেম্বর প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের খবর মেলে দক্ষিণ আফ্রিকায়। তারপর বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে করোনার এই রূপ। ইতোমধ্যেই ফ্রান্সের ৬০ শতাংশ করোনা সংক্রমণের জন্য দায়ী ওমিক্রন। ফলে নয়া স্ট্রেনের পক্ষে এই মুহূর্তে তাকে প্রতিস্থাপিত করা কার্যত অসম্ভব। গত ১০ ডিসেম্বর এই স্ট্রেনের প্রথম সংক্রমণের খোঁজ মিললেও এত দিনে ১২ জনের খোঁজ মিলল, যারা এর দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন। 
 
সূত্র : লাইভমিন্ট, ফার্স্টপোস্ট, হিন্দুস্তান টাইমস, টাইমস অব ইন্ডিয়া। 
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য:
captcha