
তিনি (গতকাল সোমবার) বলেছেন, মুসলমানদের প্রথম কিবলার দখলদার ও সন্ত্রাসী ইহুদিবাদীদের সঙ্গে যে কোনো ধরনের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ মজলুম ফিলিস্তিনি জাতির পিঠে ছুরিকাঘাতের শামিল এবং তা হবে অধিকৃত ফিলিস্তিনে শিশু হত্যাকারী ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর হাতে ফিলিস্তিনিদের ওপর হত্যাযজ্ঞ ও সেখানে দখলদারিত্ব অব্যাহত রাখার প্রতি পুরস্কারস্বরূপ।
গত পরশু (রোববার) মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরোক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অধিকৃত নেগ্বেব অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
ওই চার মন্ত্রীর বৈঠকে ইরান প্রসঙ্গ, ইউক্রেন সংকট এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।
আরব বিশ্ব ফিলিস্তিনি জাতির অধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ বলে দাবি করা সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে বর্ণবাদী ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় কথিত আব্রাহাম সমঝোতার আওতায় ওই চারটি আরব সরকার দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে।
গত পরশুর ওই বৈঠককে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরার ও ইসরাইলের অস্তিত্বকে স্বাভাবিক অস্তিত্ব হিসেবে সবাই মেনে নিচ্ছে বলে প্রচারের চেষ্টা সত্ত্বেও বাস্তব অবস্থা কিন্তু এর বিপরীত। পশ্চিমা দেশগুলোসহ কয়েকটি অমুসলিম পরাশক্তি ইহুদিবাদী ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিয়ে আসলেও আরব ও মুসলিম বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের কাছেই ইসরাইল বৈধতার সংকটে রয়েছে এবং ইসরাইল একঘরে হয়ে রয়েছে। iqna