
এর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। স্থানীয়রা এটিকে নুরি মসজিদ নামেই চেনে।
দীর্ঘ ৩০ বছর পানির নিচে থাকলেও মসজিদটি প্রায় অক্ষত আছে। তবে মসজিদ আঙিনায় প্রবেশের প্রধান ফটকটি ধসে গেছে। মসজিদের গম্বুজ টিকে আছে, এমনকি ভেতর-বাহিরের অলংকরণগুলোও খসে পড়েনি। ড্যাম নির্মাণের পর শুষ্ক মৌসুমে মসজিদের গম্বুজগুলো দেখা যেত। কিন্তু সম্প্রতি খড়ার কারণে ড্যামের পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ মসজিদটি দৃশ্যমান হয়েছে। মসজিদ দৃশ্যমান হওয়ার পর উৎসাহী মানুষ তা দেখতে আসছে এবং কোনো মুসলিমকে সেখানে আজান দিতেও দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, ফুলওয়ারিয়া ড্যামের নির্মাণকাজ ১৯৭৯ সালে শুরু হয় এবং ১৯৮৫ সালে শেষ হয়। এই স্থানীয় মুসলিমদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। সুতরাং ড্যামের পানি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলেও এখানে পুনরায় নামাজ শুরু হবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে।