
৪৩ হাজার ৫০০ বর্গমিটার আয়তনের এই মসজিদে একসঙ্গে ২৫ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবেন। এখানে এক হাজার ৫০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি সভাকক্ষ রয়েছে। যার ধারণ ক্ষমতা ৭০০ জন। ৫০০ যানবহন রাখার সুবিশাল পার্কিং জোন রয়েছে। মসজিদটি নির্মাণে সময় লেগেছে ছয় বছর। তা ছাড়া মসজিদটিতে একটি ক্যাফেটেরিয়া, পাঠাগার ও তরুণদের জন্য একটি সেন্টার ও চার হাজার বর্গমিটারের বিস্তৃত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিস রুম রয়েছে।
ইসলামের পাঁচজন নবীর নামে মসজিদের পাঁচটি দরজার নাম রাখা হয়েছে। তা হলো, আদম (আ.), ইবরাহিম (আ.) মুসা (আ.) ঈসা (আ.) এবং প্রধান দরজার নাম মুহাম্মদ (সা.)। মসজিদটি অটোমান, সেলজুক ও মেসোপটেমিয়া স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি করা হয়। এতে বর্গাকার আকৃতির চারটি মিনার এবং ৫৬টি গম্বুজ রয়েছে। প্রধান গম্বুজটি স্থানীয় ঐতিহাসিক স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং মসজিদের অভ্যন্তরীণ নকশার সরলতাকে তুলে ধরে।
সূত্র : আনাদুলু এজেন্সি