
শনিবার ইরানের জনগণ, সরকারি বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং মুসলিম দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাথে এক সাক্ষাতে সর্বোচ্চ এ মন্তব্য করেন। আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনি সাক্ষাতে ঐক্যকে মুসলিম উম্মাহর জরুরী ও অপরিহার্য প্রয়োজন হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর লক্ষণীয় পতন এবং এর প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জাতি এবং তরুণ সমাজ ইহুদবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ও তাদের প্রতিরোধকামিতার কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ সফলতা এসেছে। তাই মুসলিম বিশ্বের আজকে কৌশল হওয়া উচিত ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত প্রতিরোধকামী শক্তিগুলোকে সাহায্য দেয়ার বিষয়ে মনোনিবেশ করা এবং তাদেরকে শক্তিশালী করা।
এ সময় সর্বোচ্চ নেতা মুসলিম দেশগুলোর সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "ঐশ্বরিক সুতোর চারপাশে ঐক্য" কুরআনের এই নির্দেশ অনুসরণ করা হলে প্রায় দুইশো কোটি জনসংখ্যার মুসলিম বিশ্ব যারা গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল ভৌগলিক স্থানে অবস্থান করছে তারা বিদ্যমান সব সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারতো।
ইহুদিবাদি ইসরাইলের ক্রমশ পতনের কথা উল্লেখ করে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন: কয়েক বছর আগে শুরু হওয়া এই পতন এখন আরো বেগবান হয়েছে এবং মুসলিম বিশ্বের উচিত এই মহান সুযোগের সদ্ব্যবহার করা।
তিনি ফিলিস্তিন ইস্যুকে কেবল ইসলামিক নয় মানবিকও মনে করেন। একইসঙ্গে অমুসলিম দেশগুলোতে কুদস দিবসের সমাবেশ ও মিছিলের কথা উল্লেখ করে সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন: আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে কুদস দিবসে ইহুদিবাদী বিরোধী সমাবেশ দখলদার ইহুদিবাদীদের ক্রমবর্ধমান অপরাধযজ্ঞ প্রকাশের ফল।
ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা বলেন: ফিলিস্তিনি জনগণের সমর্থনে ইউরোপের বেশ কিছু লোকের উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন: অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে বিভিন্ন অঞ্চলে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ও অবস্থান যত বাড়বে অবৈধ ইহুদিবাদী সরকার তত বেশি দুর্বল হবে। 4135968