
এ বছর বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশ থেকে ১৩০০ জনকে হজ করাচ্ছে সৌদি সরকার।
গত ১৭ জুন সৌদি বাদশাহ সালমানের এক রাজকীয় নির্দেশনায় তাঁদের হজ করানোর কথা বলা হয়। গেস্ট অব দ্য টু হলি মস্ক প্রগ্রামের আওতায় এসব হজযাত্রীর পুরো খরচ বহন করবে সৌদি আরব। একই দিন বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত হজযাত্রীদের ইহরামের কাপড় প্রদান করেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. ঈসা বিন ইউসুফ আল-দুহাইলান। মুসলিমবিশ্বের সেবা ও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ়করণের অংশ হিসেবে প্রতিবছর সৌদি সরকারের অর্থায়নে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের হজের ব্যবস্থা করা হয় বলে জানান দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ আলে শেখ।
তা ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় হতাহত ফিলিস্তিনি পরিবারের এক হাজার সদস্যকে হজ করাবে বলে জানিয়েছে দেশটি।
এদিকে গত ১৭ জুন দীর্ঘ সাত বছর পর ইয়েমেনি হজযাত্রীদের জন্য হুথি নিয়ন্ত্রিত সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দামুখী প্রথম ফ্লাইট চালু হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির দুই হাজার ৬০০ জন হজ করতে বিভিন্ন ফ্লাইটে সৌদি যাবেন। ইতিমধ্যে স্থলপথে ৩০ হাজারের বেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন।
গত ১৪ জুন রাজনৈতিক সংঘাতে লিপ্ত সুদান থেকে সমুদ্রপথে ২৫০ জনের প্রথম হজ কাফেলা জেদ্দার ইসলামী বন্দরে পৌঁছে। তাদের ফুল ও খেজুর উপহার দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। তা ছাড়া ধ্বংসপ্রায় সিরিয়া থেকেও হজযাত্রীদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি লোক তুরস্ক হয়ে সৌদি আরব পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির হজবিষয়ক সর্বোচ্চ কমিটি।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুন পবিত্র হজের কার্যক্রম শুরু হবে।
করোনার পর এবারই প্রথম সর্ববৃহৎ হজে অংশ নেবেন ২০ লাখের বেশি মুসলিম। এর মধ্যে ১২ লাখের বেশি বিভিন্ন দেশের হজযাত্রী থাকবেন। করোনার আগে সাধারণত ২০-১৫ লাখ লোক হজ পালন করতেন। ২০২০ সালে কঠোর বিধি-নিষেধ মেনে কয়েক হাজার ২০২১ সালে প্রায় ৬০ হাজার লোক হজ পালন করেন। এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে বিভিন্ন দেশের হজযাত্রীসহ প্রায় ১০ লাখ হজ পালন করেন।
সূত্র : আরব নিউজ