
মেয়ের চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে সম্প্রতি আল-আরাবিয়া টিভিকে তিনি বলেন, ‘দুই বছর আগে আমার মেয়ে হাসপাতালে যোগ দিতে আবেদন করে। প্রথমে তা গ্রহণ করা না হলেও পরে তা গৃহীত হয়। তখন আমার মেয়ে খুবই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিল। বিশেষত আমার সঙ্গে হজযাত্রীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তার আনন্দের সীমা ছিল না।
’
বাবার সঙ্গে থেকে হাজিদের সেবা দেওয়ার সুযোগ সত্যিই স্মরণীয় বলে জানান চিকিৎসক আফনান। তিনি বলেন, ‘একজন তরুণ চিকিৎসক হিসেবে বাবার পাশে বসে কাজ করার অবকাশ অনেক কিছু শেখার সুযোগ করে দেয়। সাধারণত নবীন চিকিৎসকদের মধ্যে যে ধরনের ভয় ও জড়তা কাজ করে, আমার মধ্যে তা হয়নি। বিশেষ হজের মৌসুমে নানা রকম রোগের চিকিৎসা দিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করেছি।
ক্লিনিকে রোগী দেখা আর এখানে এসে হাজিদের চিকিৎসা দেওয়া উভয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। কেননা এখানে বিশ্বের নানা দেশের হাজিদের খুবই ধৈর্য নিয়ে সেবা দিতে হয়। তাই ভাষাগত জটিলতা ছাড়াও অনেক প্রতিবন্ধকতা থাকে। তার পরও আমরা সাধ্যমতো সব সময় সেবা দিয়েছি।’
দীর্ঘ তিন বছরের করোনা বিধি-নিষেধ শেষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশ থেকে ১৮ লাখের বেশি লোক অংশ নেন। তাঁরা গত ২৭ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান, মুজদালিফায় রাত্রিযাপন, মিনায় তিন দিন পাথর নিক্ষেপ, পবিত্র কাবাঘর তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়া পাহাড়ে দৌড়ানোসহ হজের পুরো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। যাঁরা হজের আগে মদিনায় যাননি, তাঁরা এখন মদিনায় গিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারত করছেন।
সূত্র : গালফ নিউজ