
প্রতিদিনের অন্যান্য নামাজ এখানে অনুষ্ঠিত হয় না। কেননা হেঁটে প্রতিদিন বিপজ্জনক সরু পথ পাড়ি দিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বছরে একবারই এ মসজিদে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ গত ২৬ আগস্ট এখানে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
কুশলাত মসজিদকে ‘বিজয়ের প্রতীক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার অন্যতম এই প্রাচীন মসজিদের আকৃতি অনেকটা বাজপাখির বাসার মতো।
মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক এলাকায় অবস্থিত মসজিদটির উচ্চতা ও দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন সাজসজ্জা একে অনন্য অবস্থানে নিয়ে গেছে।
ইসলামিক ইউনিয়ন অব ইমামের প্রধান আহমেত হোসকানোভিচ জুমার খুতবায় বলেছেন, ‘কুশলাত মসজিদ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। উসমানীয় শাসনামলের প্রথম দিকে তা নির্মিত হয়। ১৪৬০-১৪৮০ সালে অঞ্চলটি বিজয়ের সময় উসমানীয় সেনারা মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছিল। কনজেভেজ পোলজে ও জোভরনিক এলাকার মধ্যে একটি পাহাড়ের চূড়ায় তা তৈরি করা হয়।
১৯৯২-১৯৯৫ সালে বসনিয়া হত্যাযজ্ঞ ও যুদ্ধের সময় সার্ব সৈন্যরা মসজিদটি পুড়িয়ে দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কয়েকটি মুসলিম দেশের সহায়তায় মসজিদটি পুনরুদ্ধার ও সংস্কারের পর ২০১৩ সালে তা মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এখানে প্রতিবছর আগস্টের শেষ সপ্তাহে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি