
এরদোয়ান বলেন, ‘এই প্রতিনিধিদলের অনেকে আমেরিকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে কাজ করছেন। আপনারা সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে আপনাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছে। এসব প্রভাবের মাধ্যমে আপনারা আমেরিকার রাজনৈতিক মহল বিশেষত কংগ্রেসকে ধর্মীয় গ্রন্থের সুরক্ষা বিষয় তুলে ধরতে পারেন।
এরদোয়ান বলেছেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অজুহাতে ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কোরআনের ওপর আঘাত করা যায় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করে। তা খুবই ঘৃণ্য অপরাধ ও বর্বরতা।
সব ধরনের ইসলামোফোবিয়া, অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহর অবস্থান। এই হুমকি প্রতিরোধে আমাদের সবার ঐক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের ওপর ভিত্তি করে ইসলামের প্রকৃত আসল চিত্র তুলে ধরতে হবে। মুসলিম জনগোষ্ঠী হিসেবে আমেরিকায় আপনাদের অবস্থান পুরো মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করে এবং শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে।’
এদিকে তুরস্কে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে ইউএসসিএমওর মহাসচিব ওসামা জামাল এরদোয়ানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আজ আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাতে এসেছি।
দি ইউএস কাউন্সিল অব মুসলিম অর্গানাইজেশনস (ইউএসসিএমও) যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে নিয়ে কাজ করে। ২০১৪ সালের ১২ মার্চ ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে অন্তত ১০টি মুসলিম সংগঠনের সমন্বয়ে তা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে মসজিদ পরিচালনা, মুসলিমদের আইনি সহায়তা, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডসহ মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটি কাজ করছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি