
এর একদিন আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, তিন বার ইয়েমেন থেকে নিক্ষিপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হওয়ার পর ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ডায়মন্ড লোহিত সাগর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
লন্ডনের পক্ষ থেকে ডায়মন্ডকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কোনো কারণ ঘোষণা করা হয়নি; তবে শুধু বলা হয়েছে, এটিকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বলেছে, এইচএমএস ডায়মন্ডকে নতুন করে ‘সশস্ত্র’ করার পর এটিকে আবার লোহিত সাগরে ফেরত পাঠানো হবে।
ইয়েমেনের গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফুটেজে দৃশ্যত দেখা যায়, লোহিত সাগরে থাকা অবস্থায় ওই যুদ্ধজাহাজে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে; তবে ঠিক কবে এ ঘটনা ঘটেছে তা বলা হয়নি।
মোহাম্মাদ আলী আল-হুথি আরো বলেন, “ঠিক যেভাবে ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজকে মেরামতের উদ্দেশ্যে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে ঠিক একইভাবে বাকি যুদ্ধজাহাজগুলিও এ অঞ্চল ত্যাগ করতে বাধ্য হবে।” তিনি আরো বলেন, “সব বিদেশি রণতরীকে লোহিত সাগর ত্যাগ ও ইয়েমেনের ওপর হামলা বন্ধ করতে বাধ্য করা হবে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি গণহত্যা শুরু হওয়ার পর নভেম্বর থেকে ইয়েমেনের হুথি-সমর্থিত সেনাবাহিনী গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে লোহিত সাগরে ইসরাইলি মালিকানাধীন ও ইসরাইলগামী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাতে শুরু করে। এরপর ডিসেম্বরের শেষ দিকে আমেরিকা ও ব্রিটেন ইসরাইলকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের অবস্থানে বিমান হামলা চালায় যা এখনও চলছে।#
পার্সটুডে