
রোববার (২৮শে এপ্রিল) সকালে সাংবাদিকদের জানান, টানা চার মাসের প্রচেষ্টায় মসজিদের ভেতরে বসে ইসলাম ধর্মের এ পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হাতে লিখেছেন।
জানা যায়, অভাব অনটনের সংসারে পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখান থেকে পাওয়া পারিশ্রমিক জমিয়ে খাতা কলম কিনে তিনি কুরআন মাজিদের কপি দেখে লেখা শুরু করেন। টানা চার মাস পর লেখা সম্পূর্ণ হয়।
স্থানীয়রা বলেন, তিনি কুরআন মাজিদ লেখা শেষ করেছে স্থানীয়দের জানালে তারা সেটি প্রথমে বিশ্বাস করেন না। তারপর এসে দেখে বিশ্বাস হলে তাকে সবাই সাধুবাদ জানায়।
সেলিম উদ্দিন বলেন, আমি পবিত্র কোরআন হাতে লিখেছি নিজের ভালো লাগা থেকে। এই পবিত্র কোরআনের কপি আমি কখনোই বিক্রি করব না। আমি আলোচনায় আসার জন্য হাতে পবিত্র কোরআন লিখিনি। তবে এখন ভাবি, আমার এ কাজ দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হতেও পারে। আর হাতে লেখা পবিত্র কোরআনটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিতে চাই, যাতে আমি যখন থাকব না তখনও আমার এ কাজ মানুষের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। পবিত্র কোরআন মাজিদ যদি কেউ পড়েন তবেই আমার কষ্ট সার্থক হবে।