
সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘গেস্ট প্রগ্রাম ফর হজ অ্যান্ড ওমরাহ’র অংশ হিসেবে পুরো বিশ্ব থেকে সর্বমোট দুই হাজার ৩২২ জনের হজের ব্যবস্থা করা হয়।
এর মধ্যে যমজ পরিবারের ২২ জন সদস্য রয়েছেন, যাঁদের সফল অস্ত্রোপচারে বিচ্ছেদ করা হয়, তাঁদেরও হজের ব্যবস্থা করা হয়। তা ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় হতাহত বা কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর এক হাজার ব্যক্তিকে হজ করানো হচ্ছে।
এদিকে প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৩০ জনের একটি দল সৌদি সরকারের অতিথি হিসেবে হজ করবে। এরই মধ্যে রাজধানীর বারিধারায় সৌদি দূতাবাসে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের কাছে ইহরামের কাপড় হস্তান্তর করা হয়।
দেশটির ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ বলেন, প্রতিবছর সৌদি সরকারের অর্থায়নে নির্দিষ্টসংখ্যক ব্যক্তির হজের ব্যবস্থা করা হয়। বাদশাহ সালমানের অর্থায়নে হজ করতে আসা অতিথিদের এমন জমায়েত ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে ইসলাম ও সারা বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের অবিরাম আগ্রহ মূর্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৬ বছর আগে সৌদি আরবের বাদশাহ কর্তৃক ‘গেস্ট প্রগ্রাম ফর হজ অ্যান্ড ওমরাহ’ চালু করা হয়।
এই প্রগ্রামের তত্ত্বাবধানে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারেরও বেশি মুসলিম নারী ও পুরুষ হজ ও ওমরাহ পালন করেন।
সূত্র : আরব নিউজ