
এদিকে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলার ঘটনায় কমপক্ষে দুজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া গাজার উত্তরাঞ্চলীয় বেইত লাহিয়ার একটি বাড়িতে বিমান হামলার ঘটনায় একজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বেইত লাহিয়ায় সামরিক অভিযান চালিয়ে বিশাল এলাকার কৃষি জমি ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। সেখান থেকে আংশিক সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে কাতারের আমির জানিয়েছেন, গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনেও বিভিন্ন দেশের নেতারা গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন। গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরাইল। প্রায় ১১ মাস ধরে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরাইলি সৈন্যরা। গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪১ হাজার ৪৯৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৯৬ হাজার ৬ জন। হতাহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু। সেখানে সংঘাত বন্ধের কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, লেবাননে ইসরাইলের তীব্র বোমাবর্ষণে ৫০ জন শিশুসহ কমপক্ষে ৫৬৯ জন নিহত হওয়ার পর জীবন বাঁচাতে হাাজার হাজার মানুষ দক্ষিণ লেবানন থেকে পালিয়েছেন। মিশর, ইরাক এবং জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ‘আগ্রাসনের’ নিন্দা করেছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, এটি ‘অঞ্চলকে সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে’। কাতারের আমির বলেছেন যে, ইসরাইল গাজায় গণহত্যা করছে, কারণ অনেক বিশ্ব নেতা তাদের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা করেছেন।