ইকনা- লেবাননের হিজবুল্লাহর ডেপুটি গুরুত্বারোপ করে বলেছেন: শহীদ সাইয়্যেদ হাসান নাসরাল্লাহ এবং প্রতিরোধের একদল সিনিয়র কমান্ডার শহীদ হওয়া সত্ত্বেও লেবাননের হিজবুল্লাহ শক্তির সাথে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং এই হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধের শক্তিতে কোন প্রভাব ফেলেনি।

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর উপ-মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম বলেছেন, "ইসরাইল স্থল আগ্রাসন চাইলে তা মোকাবেলায় আমাদের প্রতিরোধ বাহিনী প্রস্তুত এবং এতে হিজবুল্লাহই জয়ী হবে। ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর চলমান লড়াইও অব্যাহত থাকবে।"
হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ শহীদ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ নাঈম কাসেম বলেন, "হিজবুল্লাহ এখন পর্যন্ত ইসরাইলের ওপর নূন্যতম হামলা চালিয়েছে। আমরা জানি যে যুদ্ধ দীর্ঘ হতে পারে। সমস্ত বিকল্প টেবিলে রয়েছে এবং আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।”
নাঈম কাসেম আরও বলেন, ইসরাইল লেবাননের সর্বত্র হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। এমন কোনো বাড়ি নেই যেখানে ইসরাইলের আগ্রাসনের ছাপ পড়েনি। দখলদার বাহিনী বেসামরিক লোকজন, শিশু, বয়োবৃদ্ধ, অ্যাম্বুলেন্সের ওপরও হামলা চালাচ্ছে। তারা যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়ছে না; বরং হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে।
ওয়াশিংটনের সমালোচনা করে হিজবুল্লাহর উপপ্রধান বলেন, সীমাহীন সামরিক সহায়তা দিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ইসরাইলের সহযোগীতে পরিণত হয়েছে আমেরিকা।
শেখ নাঈম কাসেম বলেন, "নেতাদের হারানো সত্ত্বেও আমরা আমাদের অবস্থান পরিত্যাগ করব না এবং সংগ্রামী ফিলিস্তিন জাতিকে সহায়তা অব্যাহত রাখব।"
হিজবুল্লাহর উপ মহাসচিব বলেন, “সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ ছিলেন প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর নেতা। তার প্রধান লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিন এবং পবিত্র আল-কুদসের মুক্তি। জেনে রাখুন, তিনি সর্বদা আমাদের মধ্যেই থাকবেন।"
হিজবুল্লাহর উপমহাসচিব তার ভাষণের উপসংহারে বলেন, চলমান যুদ্ধে আমরাই জিতব, যেভাবে আমরা ২০০৬ সালে ইসরাইলকে হারিয়েছিলাম।
শেখ কাসেম তার উল্লেখ করেন যে, হিজবুল্লাহ শিগগিরই একজন নতুন মহাসচিব নির্বাচন করবে।