
বিতাড়িত শয়তান যখন সর্বশক্তিমান আল্লাহকে সম্বোধন করে বলেছিল:
ثُمَّ لَآتِيَنَّهُمْ مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ وَعَنْ أَيْمَانِهِمْ وَعَنْ شَمَائِلِهِمْ وَلَا تَجِدُ أَكْثَرَهُمْ شَاكِرِينَ
তারপর অবশ্যই আমি তাদের কাছে আসব
তাদের সামনে থেকে
তাদের পিছন থেকে
তাদের ডানদিক থেকে
এবং তাদের বাম দিক থেকে এবং আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবেন না।
সুরা আরাফ ১৭ নম্বর আয়াত।
শয়তান যখন মানুষকে বিভ্রান্ত ও ফাঁদে ফেলার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও পদসমূহের কথা প্রকাশ করলো তখন ফেরেশতারা বিনয়ের সাথে জিজ্ঞাসা করলেন:
হে প্রতিপালক! শয়তান যদি এভাবে মানুষের উপর চারদিক থেকে আধিপত্য বিস্তার করে, তাহলে মানবজাতি রক্ষা পাবে কিভাবে ?!
তখন সর্বশক্তিমান স্রষ্টা বললেন:
উপর এবং নিচের পথ তাদের জন্য খোলা আছে ।
উপরে পথ কথার অর্থ হলোঃ প্রার্থনা, দোয়া, মোনাজাত । একজন বান্দা যখন তার দুই হাত তুলে প্রতিপালকের কাছে বিনয়ের সুরে কথা বলবে, কিছু চাইবে তখন তার পথের সকল প্রতিবন্ধকতা দূর হয়ে যাবে।
আর নিচের পথ কথার অর্থ হলো: সিজদাহ্।
যখন কোন বান্দা মহান আল্লাহর মহত্ত্ব ও প্রভুরকে উপলব্ধি করে রবের সম্মুখে মাথানত করে, সিজদায় লুটিয়ে পড়ে তখন স্বয়ং স্রষ্টা তাকে শয়তানের সকল চক্রান্ত ও আধিপত্যের ফাঁদ থেকে সুরক্ষিত রাখেন।
অতএব অভিশপ্ত শয়তানের কর্তৃত্ব ও চক্রান্ত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে মানুষের মাত্র দুটি মাধ্যম রয়েছে আর তা হলো, দোয়া ও সিজদা।