IQNA

বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা বিজ্ঞানী এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে জোর দিয়েছেন:

২০শে বাহমানের শোভাযাত্রা, শত্রুদের বোকা হুমকির কাছে ইরানি জাতির ঐক্যের বার্তা

0:02 - February 13, 2025
সংবাদ: 3476855
ইকনা- আজ সকালে, বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের বিশেষজ্ঞদের সাথে এক বৈঠকে, বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা এই বছরের ২০শে বাহমানের মার্চকে একটি জনপ্রিয় বিদ্রোহ এবং শত্রুর মিডিয়া বোমাবর্ষণের অধীনে একটি মহান জাতীয় আন্দোলন বলে অভিহিত করেছেন এবং জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন: ইরানী জাতি এক হয়ে চিৎকার করে এবং শত্রুর বারবার হুমকির বিপরীতে, এটি ইরানীদের পরিচয়, ব্যক্তিত্ব, শক্তি এবং স্থিতিশীলতা দেখিয়েছিল।
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ভিত্তিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়ে ইসলামী বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে ফার্সি ২২ বাহমান (১০ ফেব্রুয়ারি) এর শোভাযাত্রাকে গণজাগরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
 
তিনি বলেছেন, শত্রুদের ব্যাপক প্রচারণা এবং প্রতারণাপূর্ণ সফ্ট ওয়ারের মধ্যে ইসলামী বিপ্লবের বিজয় বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় জনগণের বিপুল উপস্থিতি একটি মহান জাতীয় আন্দোলন এবং গণজাগরণ।
 
সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেছেন, ইরানি জাতি গোটা বিশ্বের কাছে ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। শত্রুদের একের পর এক বোকামিপূর্ণ হুমকির মোকাবেলায় তারা ইসলামী বিপ্লবের বিজয়বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় নিজেদের পরিচিতি ও শক্তি প্রদর্শন করেছে।
 
ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে জড়িত একদল বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বুধবার সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। পার্সটুডে এসব তথ্য জানিয়েছে।
 
তিনি দেশের নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করে বলেন, বর্তমানে ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তির বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট এবং আমাদের বন্ধুরাও তাতে গর্বিত। শত্রুরা ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তিকে ভয় পায়। এই বাস্তবতা যেকোনো দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
 
আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে অগ্রগতি থামানো যাবে না।  যেমন ধরুন, ক্ষেপণাস্ত্র কতটুকু নিখুঁতভাবে আঘাত হানবে সেটার একটা নির্দিষ্ট সীমা আমরা আগে নির্ধারণ করেছিলাম। কিন্তু এখন আমরা মনে করি এটা অপর্যাপ্ত এবং আমাদেরকে আরো সামনে এগোতে হবে। উন্নতি অব্যাহত রাখতে হবে।
 
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে চাইলে, আপনাকে অবশ্যই উদ্ভাবনের উপর মনোযোগ দিতে হবে। সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনের কোন সীমা-পরিসীমা নেই।
 
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা শিল্পের অগ্রগতি বিশ্বে আমাদের প্রতিরক্ষা শক্তির র‍্যাঙ্কিং উন্নত করেছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে থেমে থাকব এবং এটাকেই যথেষ্ট মনে করব।
 
এর আগে আজ (বুধবার) সকালে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী এক ঘন্টা ধরে প্রতিরক্ষা মেলা পরিদর্শন করেছেন। এই মেলার নাম দেওয়া হয়েছে- 'শক্তিমত্তা-১৪০৩'। এই মেলায় প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের সর্বশেষ সক্ষমতা ও অর্জন তুলে ধরা হয়েছে।
 
এই মেলায় আকাশ প্রতিরক্ষা, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, স্মার্ট যুদ্ধাস্ত্র, মহাকাশ প্রযুক্তি, ড্রোন ও বিমান, নৌযান এবং জ্বানানি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত উন্নত সরঞ্জাম ও নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়েছে।
 
এই প্রদর্শনীতে প্রতিরক্ষা শিল্প বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন।
captcha