IQNA

অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের নিকট রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাহায্যের জন্য অনুরোধ 

8:59 - February 18, 2025
সংবাদ: 3476880
ইকনা- বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ইস্যুকে তার কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট এবং তাদের মাতৃভূমি মায়ানমারে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টিকে এই সংস্থার আগামী 10 বছরের (2026-2035) কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
মিয়ানমারে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার বিশেষ দূত ইব্রাহিম খাইরাতের সাথে তার বৈঠকে জসিমুদ্দিন রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানোর জন্য সংস্থা এবং এর সদস্য দেশগুলোকে বলেন।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে তদন্তাধীন রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের সমর্থনেরও প্রশংসা করেন তিনি।
বাংলাদেশের বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ঢাকায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মানবিক সহায়তা সম্প্রসারণ এবং কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এই বৈঠকে, অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনের দূত রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সদস্য দেশগুলির সাথে সহযোগিতা করার জন্য সংস্থার প্রতিশ্রুতি এবং রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘু ও অন্যান্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের ইস্যুতে এ বছর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া একটি উচ্চ-পর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করার সংস্থার অভিপ্রায়ের উপর জোর দেন।
গত নভেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সেপ্টেম্বরে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন করার প্রস্তাব অনুমোদন করে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে জাতিসংঘ ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে।
২০১৭ সালে তাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা থেকে পালিয়ে এসে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশের কক্সবাজার অঞ্চলের শিবিরে বসবাস করছে এবং ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং আরাকান বিচ্ছিন্নতাবাদী সেনাবাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাস্তুচ্যুতির ঢেউ বেড়েছে।
এমন সময় বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে যে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এদেশে তাদের অব্যাহত উপস্থিতি দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো এবং সামাজিক কাঠামোতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 4266791#

captcha