শিক্ষাজীবনের প্রারম্ভে তিনি ইসফাহানে প্রাথমিক ও ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করেন। রেজা খানের শাসনামলে ধর্মবিরোধী নীতি ও ‘কাশফে হিজাব’ (হিজাব নিষিদ্ধ) আইনবিরোধী অবস্থানের কারণে তাকে নির্বাসন ও বিচারাভিযানের মুখে পড়তে হয়।
আয়াতুল্লাহ পাসানদিদেহ জাতীয় তেল আন্দোলনের সময় আয়াতুল্লাহ কাশানির সঙ্গে একত্রে কাজ করেন। পরবর্তীতে ইসলামি বিপ্লবের সময় ইমাম খোমেইনির সমর্থনে বারবার সামরিক আদালতে তলব হন।
বিপ্লবের বিজয়ের পর তিনি কোনো রাজনৈতিক পদ গ্রহণ না করে ইমাম খোমেইনির পক্ষ থেকে শরিয়ত বিষয়ক প্রতিনিধিত্ব (ওকালত) গ্রহণ করেন। বিনয়, নৈতিকতা ও সরল জীবনের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। ইমাম খোমেইনি (রহ.) নিজেও সর্বদা তাঁর এই বড় ভাইয়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করতেন।
আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুরতজা পাসানদিদেহ ১০১ বছর বয়সে, ১৩৭৫ হিজরি শামসি সালের ২২ আবান (১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে) ইন্তেকাল করেন। তাঁকে পবিত্র কোম শহরে হযরত ফাতিমা মাসুমা (সা.)-এর দরগাহ সংলগ্ন “মসজিদে বালাসার”-এ দাফন করা হয়।