
খবর সংস্থা কুদস প্রেস জানায়, শুক্রবার দুপুর থেকে দখলদার বাহিনী মসজিদটি বন্ধ করে রেখেছে এবং “ইহুদি উৎসব”–এর অজুহাতে মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। এদিকে দখলদাররা মসজিদের অবশিষ্ট অংশগুলো সম্পূর্ণ দখল করে এটিকে একটি ইহুদি উপাসনালয় (সিনাগগ) বানানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে।
ইহুদিদের “শাবাত সারা” (Sabbath of Sarah) উৎসবকে কেন্দ্র করে দখলদার বাহিনী পুরোনো খলিল নগরীর আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলেছে।
এই অবরোধের কারণে প্রায় চার হাজার ফিলিস্তিনির চলাচল সম্পূর্ণভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরাইলি বসতকারীরা মসজিদের উঠানসহ আশপাশের সড়কে বড় বড় তাঁবু গেড়ে হাজারো বসতকারীর থাকার ব্যবস্থা করছে।
“শাবাত সারা” ইহুদি উৎসবটি সাধারণত নভেম্বরের মধ্যভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর খলিল নগরীতেই এই উৎসবের সব আনুষ্ঠানিকতা হয়। উৎসব চলাকালে শনিবার ভোর ৪টা থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত মসজিদটি পুরোপুরি মুসল্লিদের জন্য বন্ধ থাকে এবং বসতকারীদের ধেয়ে আসা হামলার মুখে পড়ে।
ইসরাইলি সংসদ (কেনেসেট)-এর চরমপন্থি সদস্য তজিপি সুকোত “ইবরাহিমি মসজিদে ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা”–সংক্রান্ত একটি নতুন আইন প্রস্তাব পেশ করেছেন।
বিলে পুরো মসজিদে ইসরাইলি আইন ও বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ এবং এটি পরিচালনার অধিকার বসতকারীদের শহর পরিষদ ক্রিয়াত আরবা–র হাতে হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবটিতে নেটানিয়াহুর জোটের বহু সদস্য স্বাক্ষর করেছে। 4317070#