
আল-মানার টিভি সরাসরি সম্প্রচারিত এই ভাষণে তিনি বলেন: “আমরা আজ কুদসের পথে শহিদ আলেমদের স্মরণে সমবেত হয়েছি। এই উৎসবের নাম ‘নাজীউ মিদাদ’ — নাজীউ অর্থ রক্ত, আর মিদাদ অর্থ কালি। আলেমরা তাদের রক্ত ও কালি দিয়ে সমাজকে জিহাদের পথে গড়ে তুলেছেন।”
শহিদ আলেমদের সংখ্যা: শহিদ আলেম: ১৫ জন, শহিদ তালেবে ইলম (ইসলামি বিষয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী): ৪১ জন এবং শহিদ সন্তান (আলেম পরিবারের): ৩৯ জন।
শেখ নাঈম কাসেম বিশেষভাবে দুই মহান শহিদের নাম উল্লেখ করেন: “সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি ও শেখ রাগেব হারব — এই দুইজন ছিলেন শাহাদাত ও জিহাদের পথে অগ্রগামী পতাকাবাহী। জিহাদ ইসলামের মৌল স্তম্ভ। আমরা জিহাদে নাফস ও জিহাদে সাইফ — উভয় ক্ষেত্রেই আছি।”
প্রতিরোধের শক্তি ও শত্রুর ষড়যন্ত্র
তিনি বলেন: “বিশ্বের অহংকারী শক্তি হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করতে চায় কারণ আমরা স্বাধীনতা, মর্যাদা ও দেশপ্রেমের একটি পরিবর্তনকামী প্রকল্প উপস্থাপন করেছি।
তারা আমাদের নিরস্ত্র করতে চায়, অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরোধ করতে চায়, স্কুল-হাসপাতাল বন্ধ করতে চায়, পুনর্নির্মাণে বাধা দিতে চায় — কিন্তু জেনে রাখুন, আমাদের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। এটি একটি সমাপ্ত বিষয়।”
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন
“ইসরায়েল লিটানি নদীর দক্ষিণে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। আমেরিকা-ইসরায়েলের লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো অধিকার নেই। আমাদের অস্ত্র, প্রতিরক্ষা কৌশল ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ — এসব লেবাননের নিজস্ব বিষয়।”
মসজিদুল আকসার জন্য প্রস্তুত
“আমরা নিজেদের, পরিবারের ও দেশের প্রতিরক্ষা করব। মসজিদুল আকসার জন্যও আমরা পূর্ণ জান কোরবান করতে প্রস্তুত। আমরা কখনো আত্মসমর্পণ করব না। শহীদদের রক্তের আমানত আমরা রক্ষা করব।”
সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা
শেখ নাঈম কাসেম শেষে বলেন: “আমরা লেবানন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। আমেরিকা-ইসরায়েলের দালালদের কথায় কান দেব না। আমরা আশা করি সরকার আগ্রাসনের মোকাবিলা, বন্দি মুক্তি ও পুনর্নির্মাণে বীরত্ব দেখাবে।” 4321066#