
মন্ত্রী তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এয়ারএশিয়ার এই নীতি বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি এবং মুসলিম কর্মীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মানের প্রতিফলন। আমি এয়ারএশিয়া ব্যবস্থাপনাকে এই জ্ঞানী সিদ্ধান্তের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”
তিনি আরও বলেন, যেসব শিক্ষক, সংগঠন ও ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এয়ারএশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই দাবি উত্থাপন করে এসেছেন, তাদের প্রতিও ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই প্রচেষ্টাই হিজাব পরার অধিকার অর্জনের চাবিকাঠি হয়ে উঠেছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, মালয়েশিয়ার সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত অন্যান্য কোম্পানির জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হবে এবং কর্মীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষায় আরও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসবে।
এয়ারএশিয়া গ্রুপের সিইও বো লিঙ্গাম জানিয়েছেন, “আমরা গর্বিত যে ইউনিফর্মের এই পরিবর্তন আমাদের বৈচিত্র্যময় কর্মীবাহিনী ও যে সমাজ-সংস্কৃতির সঙ্গে আমরা প্রতিদিন কাজ করি, তার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। আমাদের ইউনিফর্ম সবসময় পেশাদারিত্ব, নিরাপত্তা ও আরামের প্রতীক ছিল। এখন থেকে কর্মীরা নিজেদের বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এয়ারএশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন।”
এতদিন হিজাব শুধু জেদ্দা রুটে অনুমোদিত ছিল। নতুন নীতিতে পুরো নেটওয়ার্কজুড়ে নারী কেবিন ক্রুর জন্য হিজাব ঐচ্ছিক করা হয়েছে। এয়ারএশিয়ার আইকনিক লাল ইউনিফর্ম অপরিবর্তিত থাকবে; কেবল পূর্বে জেদ্দা রুটে ব্যবহৃত পেশাদারীভাবে ডিজাইন করা হিজাব ও প্যান্ট এখন সব রুটেই ব্যবহারের সুযোগ পাবেন ইচ্ছুক কর্মীরা।
এই নতুন নীতি ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ পবিত্র রমজান মাসের সময় থেকে কার্যকর হবে। 4321706#