
ধনী বড়লোকেরা গরীব ষ-দুঃখীদের ক্ষুধা-পিপাসার কষ্ট অনুভব করে তাদের প্রতি দয়া পরবশ হয়ে তাদের সাহায্য ও তাদের ক্ষুধা-পিপাসার কষ্ট দূর করতে পারে। রোযা অবিবাহিত যুবক-যুবতীদের রিপু ও প্রবৃত্তির তাড়না ও কামনা বাসনা লাঘব করে তাদেরকে চারিত্রিক স্খলন থেকে বাঁচাতে পারে।আর রোযায় রয়েছে সবার জন্য সার্বিক ভাবে ভালো ও কল্যাণকর। মহানবী (সা) বলেছেন:"রোযা রাখো তোমরা সবাই তাহলে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান থাকবে।"রোযা উত্তম চারিত্রিক গুণাবলীর বিকাশ এবং মন্দ চারিত্রিক দোষের বিলুপ্তি ঘটায়।তাই রোযার আধ্যাত্মিক,ঈমানী ও স্বাস্থ্য রক্ষাকারী গুণ ও বৈশিষ্ট্য আছে।রমযানের এক রাত্রি পবিত্র কুরআন নাযিলের রাত এবং তা লাইলাতুল কদর (ভাগ্য রজনী) যা সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম।এ মাসের ইবাদত বন্দেগীর সওয়াব অন্যান্য মাসের ইবাদত বন্দেগীর সওয়াবের চেয়ে বহুগুণ বেশি।
পবিত্র রমযান মাস আমাদের জাতীয় জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ,সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ। কদরের রাতে মহান আল্লাহর দরবারে আমাদের মুনাজাত ও প্রার্থনা যে আমাদের-মুসলিম উম্মাহর উত্তম ভাগ্য ও পরিণতি তিনি এ রাতে মঞ্জুর করেন এবং মুসলিম উম্মাহর ভাগ্যকে অত্যন্ত সুপ্রসন্ন করে দেন এবং মযলূম ইরান,ইরাক,ইয়ামান,ফিলিস্তীনী ও গাযাবাসীদের বিজয় দান করেন।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে রমযানের সিয়াম ও কিয়াম (নফল নামায),দান-সদকা ও নেক আমল করার বেশি বেশি তওফীক দান করেন।পবিত্র রমযান মাসের দিন ও রাতগুলোয় বিশেষ করে কদরের সম্ভাব্য রাত সমূহে আমাদের সবার কল্যাণ ও মাগফেরাতের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দু'আ করবেন। ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান