
ইকনা জানায়, আল-জাজিরার বরাতে—রোযার সময়কাল দেশভেদে, এমনকি একই দেশের বিভিন্ন শহরে ভিন্ন হয়। এটি মূলত ভৌগোলিক অবস্থান ও অক্ষাংশের ওপর নির্ভর করে। উত্তর দিকে যত যাওয়া যায়, দিনের আলো তত বাড়ে; বিপরীতে নিরক্ষরেখা বা দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে গেলে দিন ছোট হয়।
বিশ্বে সবচেয়ে লম্বা ও সবচেয়ে ছোট রোযার সময় সবচেয়ে লম্বা রোযা পালন হয় উত্তর মেরু সার্কেলের কাছাকাছি অঞ্চলে—বিশেষ করে গ্রিনল্যান্ড (নুক), আইসল্যান্ড ও উত্তর নরওয়ে। এসব অঞ্চলে রোযার সময় ১৬ ঘণ্টারও বেশি হতে পারে। এতে ইসলামী ফিকহে দীর্ঘ দিনের রোযার নিয়ম নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।
বিপরীতে সবচেয়ে ছোট রোযা হয় দক্ষিণ গোলার্ধে—চিলি, আর্জেন্টিনা, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকায়। এসব দেশে রোযার সময় ১১ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে থাকে।
আরব দেশগুলোতে রোযার সময় অধিকাংশ আরব রাজধানীতে রোযার সময় গড়ে ১২.৫ থেকে ১৪ ঘণ্টা।
সবচেয়ে ছোট সময়:
খাড়ি অঞ্চল ও মিসর:
আরব বিশ্বে সবচেয়ে লম্বা সময়:
ইসলামী দেশগুলোর রাজধানীতে রোযার সময় সবচেয়ে লম্বা:
মধ্যম সময়:
সবচেয়ে ছোট সময় (নিরক্ষরেখার কাছাকাছি):
কেন ২০২৬ সালের রমজান তুলনামূলক মাঝারি?
রমজানের তারিখ কেন প্রতি বছর বদলায়? ইসলামী ক্যালেন্ডার চন্দ্রভিত্তিক—যা সৌর ক্যালেন্ডারের চেয়ে ১০-১২ দিন ছোট। তাই রমজান প্রতি বছর ভিন্ন সময়ে আসে। প্রথম দিন চাঁদ দেখা বা শাবান মাস পূর্ণ হওয়ার ওপর নির্ভর করে।
বিভিন্ন ভাষায় রমজানের শুভেচ্ছা বিশ্বের মুসলিম সমাজে এ মাসে «রমজান মোবারক», «রমজান কারিম» ইত্যাদি শুভেচ্ছা বিনিময় হয়—যাতে এ মাস সবার জন্য বরকত, রহমত ও দানশীলতায় ভরে উঠুক।
রমজান ২০২৬ ভৌগোলিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রভাবকে স্পষ্ট করে তুলেছে। উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘ রোযা, নিরক্ষরেখা ও দক্ষিণে ছোট রোযা—এটি বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের রমজানি অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। 4335192#