
বিক্ষোভকারীরা সরকনস্যুলেটের বাইরের প্রাচীর ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তারা আমেরিকান পতাকা নামিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। কিছু প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা অনুসারে, বিক্ষোভকারীরা সরকনস্যুলেটের জানালা ভাঙচুর করেন এবং আশপাশের একটি পুলিশ পোস্টে আগুন লাগান। নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ এবং গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে এই ঘটনার প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। লাহোর, মুলতান, ইসলামাবাদসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিয়া সম্প্রদায়ের বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। করাচিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সরকনস্যুলেটের আশপাশে ভারী পুলিশ ও রেঞ্জার্স মোতায়েন রয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী বলেছেন, আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর শাহাদাতে পুরো মুসলিম উম্মাহ শোকাহত, তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারও শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে এবং সহিংসতার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।
এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আমেরিকান দূতাবাস পাকিস্তানে নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দিয়েছে।
4337521