
ইরানের হজ বিষয়ক তথ্যকেন্দ্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর শাহাদাতের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই মদিনা ও মক্কায় অবস্থানরত ইরানি হাজিদের কাফেলাগুলোতে নেমে আসে শোক, স্তব্ধতা ও গভীর বেদনা। সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি দপ্তরের ঘোষণায় বলা হয়েছে, হৃদয়বিদারক এ ঘটনার পরপরই হাজিদের আবাসিক হোটেলগুলোতে দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও স্মরণসভা শুরু হয়েছে।
হজ ও জিয়ারত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং কাফেলার আলেমরা কোরআন খতম, দোয়া ও শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করে হাজিদের এ শোক ভাগাভাগিতে অংশ নেন। মদিনায় মহানবী (সা.)–এর রওজা মোবারক এবং জান্নাতুল বাকিতে অবস্থিত ইমামদের কবরের নিকটে অনেক জায়েরিন অশ্রুসজল নয়নে সূরা আল-ফাতহ ও সূরা আন-নাসর তিলাওয়াত করেন এবং নীরব প্রার্থনায় শহীদ নেতার স্মৃতি ও আদর্শ স্মরণ করেন।
অন্যদিকে মক্কায় মসজিদুল হারামের প্রাঙ্গণেও দেখা যায় শোকাহত হাজিদের উপস্থিতি। তাওয়াফকারীদের ভিড়ের মধ্যেই অনেকে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে হাত তুলে দোয়া করেন এবং মুসলিম উম্মাহর মর্যাদা রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ এই ফকিহ ও সংগ্রামী নেতার মাগফিরাত কামনা করেন।
ইরানি হাজিদের আবাসস্থল ও সমবেত স্থাপনাগুলোতেও ছিল গভীর শোকের আবহ। অনেকেই সংবাদ শোনামাত্র অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি। কেউ কেউ নীরবে কোরআন হাতে নিয়ে কোণে বসে তিলাওয়াতে মগ্ন হন, স্মরণ করেন এই দৃঢ়চেতা নেতার সংগ্রামী জীবন।
সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি দপ্তর জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও শোকানুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে। পবিত্র ভূমিতে শহীদ নেতার জ্ঞান, আধ্যাত্মিকতা ও সংগ্রামী অবদানের স্মরণে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। 4337514#
https://iqna.ir/fa/news/4337514