
World Bulletin ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: এ পরিকল্পনা মোতাবেক যে সকল রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারের নাগরিকত্বের কোন ডকুমেন্ট নেই তাদেরকে যুদ্ধবন্দী ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হবে।
অথচ দীর্ঘদিন যাবত মিয়ানমার সরকার, রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশের অবৈধ অভিবাসী হিসেবে অবিহিত করছে এবং তাদেরকে মিয়ানমারের নাগরিকত্বের কোন সুযোগ করে দেয়নি।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাঙ্গালি বলে অভিহিত করে মিয়ানমারের জরুরী সমন্বয় কমিটির সদস্য এবং আরকানের বৌদ্ধ নেতা ‘ছান তুন’ বলেন: বাঙ্গালী নাগরিকদের সনাক্তকরণ অভিযান খুব শীঘ্রই শুরু হবে এবং তাদের সনাক্ত করে এ পরিকল্পনার চার্ট মিয়ানমার সরকারের নিকর উপস্থাপন করা হবে।
প্রস্তাবিত এ পরিকল্পনার মাধ্যমে গ্রামের বাসিন্দা এবং শরণার্থী শিবিরে বসবাস-কৃত সকল আরকান মুসলিম বাসিকে যুদ্ধবন্দি ক্যাম্পে স্থানান্তরিত করা হবে।
তুন বলেন: যেসকল মুসলিম রোহিঙ্গাদের সন্তান আরকান শহরে জন্মগ্রহণ করেছে তাদেরকে অবৈধ নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
মিয়ানমারের চরমপন্থি বৌদ্ধদের পাশবিক হামলার ফলে এ পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ চল্লিশ হাজার মুসলমানেরা নিজেদের ঘর-বাড়ী ছেরে পালিয়ে অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করছে। বর্তমানে প্রায় দশ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান আরকান শহরে বসবাস করছে।
২০১২ সালের মাঝামাঝি থেকে মিয়ানমারের চরমপন্থি বৌদ্ধরা আরাকান শহরের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর পাশবিক হামলা চালিয়েছে। আর এরফলে অনেক হত্যা রোহিঙ্গা মুসলমান হত্যা হয়েছে এবং অনেকেই নিজের বাসগৃহ ছারতে বাধ্য হয়েছে।
1443251