৫৭ সদস্য দেশের সংস্থা ও আই সির ২ দিন ব্যাপী সম্মেলন শেষে একজন আরব কর্মকর্তা বলেন, নুতন চার্টার গৃহীত হয়েছে। ও আই সির নেতৃবৃন্দরা গত কয়েকবছর যাবত যুক্তিতর্ক করছিলেন একটি নুতন চার্টারের জন্য যা সংস্থাটিকে আধুনিক করবে। নুতন সদস্য পদ ও যুদ্ধ সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো কীভাবে গৃহীত হবে সে বিষয়ে বিতর্ক চলছিল।
সৌদী বাদশাহ আব্দুল্লাহ, লিবিয়ার নেতা মোয়াম্মার গাদ্দাফী এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ সম্মেলনে যোগদান করতে পারেন নি, সেনেগালের প্রেসিডেন্ট ও আই সির বর্তমান চেয়ারম্যান দীর্ঘদিনের আরব ইসরাইল সংঘাতের বিষয়ে প্রস্তাবকে সংস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মর্যাদা দানের অঙ্গীকার করেছেন। তিনি ইসরাইলকে দখলদার শক্তি হিসেবে অভিহিত করেন এবং তাদেরকে শক্তি ব্যবহার বন্ধ করার আহবান জানান।
ও আই সি সেক্রেটারী জেনারেল ইকমালুদ্দীন ইহসানগলু পশ্চিমা দেশগুলোর ইসলাম আতংক দূর করার জন্য মুসলিমদের সাথে পশ্চিমা দুনিয়ার আন্তরিক সংলাপ ও সহযোগিতার আহবান জানান। তিনি বলেন, ইসলাম, নবী (সা.) ও মুসলিম ব্যক্তিত্বদের প্রতি দায়িত্বজ্ঞানহীন আক্রমণকে সমর্থন করা যায় না। আমরা দৃঢ়ভাবে অনুভব করছি যে আমাদের ধর্ম এবং এর পবিত্র নিদর্শনগুলোকে অসম্মান ও অসহনশীলতার লক্ষ্য বানানো হচ্ছে।
ও আই সির সেক্রেটারী জেনারেল কাশ্মীর, ফিলিস্তীন, ইরাক ও আফগানিস্তান বিষয়ে সমস্যা সমাধানের উপর পদক্ষেপ নেবার আহবান জানান।
ফিলিস্তীনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তীনিদের দূরাবস্থার কথা তুলে ধরেন এবং ইসরাইলকে জাতিগত উচ্ছেদ অভিযান চালানোর জন্য দোষারোপ করেন। সৌদী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরব ইসরাইলী দ্বন্দ নিরসনের সংলাপে জেরুজালেমকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে রাখার আহবান জানান।
শেষ ইশতেহারে বলা হয়, ও আই সি সম্মেলন ফিলিস্তীনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলী যুদ্ধপরাধের নিন্দা জানাচ্ছে এবং সন্ত্রাসকে ইসলামের শিক্ষা বিরোধী বলে প্রত্যাখ্যান করছে।