মৌমাছির মত লাইন ধরে পরিদর্শনকারীরা মাযারে আসছে যেখানে ১৬৮২ পৃষ্ঠার এই কুরআনের পাণ্ডলিপিটি গত তিন দিন ধরে প্রদর্শিত হচ্ছে।
আহমেদপুর শারকিয়ার বাসিন্দা রিয়ায হোসেইন শহীদ, যিনি একজন সৌখিন ক্যালিগ্রাফার পবিত্র কুরআনের এই পাণ্ডুলিটিটি শেষ করতে ১৪ মাস সময় নেন। ৩০টি পারায় তিনি পাণ্ডলিপিটি ভাগ করেছেন।
উদ্যোগটি সম্পন্ন হয় মাযারের সাজ্জাদা নাশীন মৌলভী যহুর আহমেদের পৃষ্ঠপোষকতায়।
জনগনণর কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় প্রদর্শনীর সময় আরো একদিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।