স্বর্ণ ও অলংকার ইউনিয়নের সেক্রেটারী আলী জাভারিয়ান এ কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, খোদাইকারক নাস্তালিক স্টাইলে মীর এমাদরর অনুসরণে বর্ণগুলি খোদাই করেছেন।
আলী জাভারিয়ান আরো বলেছেন, কুরআনের প্রত্যেকটি পাতা বিশুদ্ধ রূপার ১,০০০ গ্রামের চাইতে কম। সূরা হামদের কারুকাজে ব্যবহৃত হয়েছে মূল্যবান পাথর যেমন এমারল্ড, একয়ামেরীন এবং স্যাফায়ার।
তিনি বলেন, খোরাসান প্রদেশের শ্রেষ্ঠ খোদাইকারকরা পবিত্র কুরআনকে ৭০০ রূপার পাতাকে খোদাই করে লিখবেন।
তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন রূপার পাতায় লেখার কাজ শুরু হয়েছে ২০০৭ সনের ৫ই অক্টোবর।
রূপার পাতাগুলোর আয়তন হচ্ছে ১৮/২৪ সে.মি.