বিদেশে ধর্মীয় তৎপরতায় নিয়োজিত ইরানের বিখ্যাত ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল মোস্তফা আল অলামিয়ের প্রধান আলী রেজা আরফী বার্তাসংস্থা ইকনাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মুসলিম বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার একই সময়ে আরো কিছু ধর্মীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে যাতে করে মুসলিম বিশ্বে পবিত্র কোরআন বিষয়ক তৎপরতা আরো জোরদার করার ক্ষেত্রে ইসলামী দেশগুলোর কোরআন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা ও মতবিনিময়ের ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।তিনি আরো বলেন, মুসলিম ছাত্রদের আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা যেমন ইরানসহ ইসলামীদেশগুলোর ছাত্রদেরকে পবিত্র কোরআন শিক্ষায় আরো বেশি উদ্বুদ্ধ করবে তেমনি এই প্রতিযোগিতার অবকাশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোরআন বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে সেমিনার ও সিম্পেজিয়াম এই কোরআন বিষয়ক কার্যক্রমকে আরো সম্প্রসারিত করবে।আন্তর্জাতিক ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্রের সাবেক সভাপতি বলেন, পবিত্র কোরআনের শিক্ষার প্রসারের কারণেই আজ আমাদের দেশে ইসলামী বিপ্লব বিজয় লাভ করার পাশাপাশি জ্ঞান - বিজ্ঞানে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে । তিনি আরো বলেন পবিত্র কোরআনের হেফজ, কেরাআত, তাজবিত , তাফসির ও গবেষণার ক্ষেত্রে আমাদের সন্তানরা আজ চোখ ধাঁধানো সাফল্য অর্জন করেছে।আর এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে একমাত্র সমাজের মানুষের পবিত্র কোরআন শিক্ষার প্রতি প্রয়োজনীয়তার উপলব্ধি থেকেই ।তাই আমরা যদি ইরানের মতো প্রতিটি মুসলিম দেশের মানুষের মাঝে পবিত্র কোরআন শিক্ষার গুরুত্ব ও এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে পারি তাহলে জ্ঞান বিজ্ঞানসহ সর্বক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্ব অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করবে এতে কোন সন্দেহ নেই । তাছাড়া বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পবিত্র কোরআন হলো সবচেয়ে বড় মাধ্যম । কারণ মুসলমানদের মধ্যে মাজহাবগত মতপার্থক্য থাকলেও পবিত্র কোরআনের ব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নেই । # 313959