ফরাসী বার্তাসংস্থা এ এফ পি’র বরাত দিয়ে ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তাসংস্থা ইকনা জানিয়েছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি সেদেশের মুসলিম পরিষদের সভাপতির কাছে পাঠানো এক বার্তায় লিউন শহরের একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের এই পদক্ষেপকে বর্ণবাদী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে আশাপ্রকাশ করে বলেন, ফ্রান্সের পুলিশ খুব শিঘ্রই লিউন শহরের মসজিদে অগ্নিসংযোগকারীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবে। এদিকে ফ্রান্সের সেন্ট প্রিষ্ট এলাকার হাজার হাজার মানুষ গত রবিবার লিউন শহরে অগ্নিসংযোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের সামনে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ।তারা এই বর্ববর অপরাধযজ্ঞের জন্য দেশটির কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে দায়ী করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় । এই প্রতিবাদ সমাবেশে লিউন জামে মসজিদের সভাপতি কামাল কাবতন এবং লিউন শহরের মেয়র জেরারড কলম্বসহ দেশটির কিছু ডান ও বামপন্থী দলেরে নেতা ও সরকারী কর্মকর্তা অংশ নেন। লিউন শহরের মেয়র জেরারড কলম্ব ইসলাম বিরোধী এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ফ্রান্সের অন্যান্য জাতির সাথে মুসলমানদের যত পার্থক্যই থাকুক না কেন তারপরও তারা ফ্রান্সের নাগরিক এবং এদেশের যেকোন জাতি বা গোষ্ঠীর প্রতি সহিংস আচরণকে বরদাস্ত করা হবে না ।এদিকে ফ্রান্সের মুসলিম পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ মুসাভী গত রবিবার এক বিবৃতিতে লিউন শহরের সেন্ট প্রিষ্ট এলাকার মসজিদে অংগ্নি সংযোগের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবী জানান ।গত শনিবার ভোরে দুষ্কৃতিকারীরা লিউন শহরের সেন্ট প্রিষ্ট এলাকার একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগ করলে এতে মসজিদটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় ।# 336609