ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : আয়াতুল্লাহ যিয়া আবাদী ক্লাসের শুরুতে মুসাফিরের নামায সংক্রান্ত বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। অতঃপর তিনি সূরা ইব্রাহীমের ৩২ থেকে ৩৪নং আয়াত তেলাওয়াত করে এর তাফসীর করেন। আয়াতত্রয়ের অনুবাদ : “তিনিই আল্লাহ্, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা দ্বারা তোমাদের ফলের রিযিক উৎপন্ন করেছেন এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলাফেরা করে এবং নদ-নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। (৩২) এবং তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিবাকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন। (৩৩) যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকেই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ। (৩৪)
তিনি বলেন : কেন আমরা ধারণা করি যে, প্রকৃতি মানুষকে জীবিত করে। কেন আমরা বলি যে, প্রকৃতির ক্রোধ, প্রকৃতির সন্তুষ্টি ইত্যাদি, বুদ্ধিবৃত্তিহীন প্রাকৃতি কি এসব কিছু করতে সক্ষম? এটা মুসলমানদের শিষ্টাচারের অন্তর্ভূক্ত যে, তারা প্রতিটি কাজের শুরুতে এবং শেষে মহান আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। আর এটা হল আসমানী গ্রন্থ কোরআনের আহ্বান যে, ‘হে লোক সকল তোমরা চক্ষু মেলে এ পৃথিবী এবং তার স্রষ্টাকে চিন, কেননা তোমাকে সৃষ্টি করার পূর্বে তিনি পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছে।‘
অতঃপর তিনি মানুষ পৃথিবীর পিছনে ছুটছে নাকি পৃথিবী মানুষের পিছনে এ বিষয়টির উপর আলোচনা করেন।
তিনি তার ক্লাসের শেষ পর্যায়ে ইমাম হাসান আসকারী (আ.) এর শাহাদাত উপলক্ষ্যে এ ইমাম (আ.) এর একটি হাদীস তেলাওয়াত করেন। যাতে বলা হয়েছে : মানুষদের মধ্যে সবচে বেশী ইবাদতকারী ব্যক্তি হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে সকল ওয়াজিবসমূহকে সম্পাদন করে, আর যাহেদ (দুনিয়াত্যাগী) হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে গুনাহে লিপ্ত না হয়। # 554842