আন্তর্জাতিক বিভাগ: মার্কিন দৈনিক ক্রিস্টিয়ান সায়েন্স মনিটর প্রকাশ করেছে যে, মিসরের প্রেসিডেন্ট হুসনী মোবারকের রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে ধর্মের ব্যবহার এবং এর বিপরীতে আল আযহারের নতজানু হওয়ার কারণে ইসলাম বিশ্বের সর্ববৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।
মিসরীয় দৈনিক আল ইয়াওম আস সাবে’র বরাত দিয়ে ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা জানিয়েছে: মার্কিন দৈনিক ক্রিস্টিয়ান সায়েন্স মনিটরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আল আযহারের নতুন মুফতী হিসেবে ‘আহমাদ আত তাইয়েব’ কে নিয়োগ দান ও বর্তমানে মুসলিম বিশ্বে আল আযহারের অবস্থান প্রসঙ্গে লিখেছে: আল আযহারের নতুন মুফতি মিসরের মধ্যপন্থী একজন আলেম, কিন্তু তিনি আল আযহারের স্বতন্ত্র হওয়া এবং মিসর সরকারের সাথে এর সম্পৃক্ত না হওয়ার বিষয়ে বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন।
এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: এক সময় আল আযহারের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মিসরের সরকারে সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় তারা কিছু কিছু ভুল অবস্থানে অবস্থান নিতে বাধ্য হচ্ছে। যেমন: গাজা সীমান্তে লোহার প্রাচীর নির্মাণের বিষয়ে সমর্থন তাদের এ মুসলিম বিশ্বে জনপ্রিয়তার হারানোর পিছনে মূল কারণ।
মার্কিন দৈনিক ক্রিস্টিয়ান সায়েন্স মনিটর এ প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করেছে: বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন স্যাটালাইট চ্যানেল ও ওয়েব সাইটে নতুন মুসলমিম মোবাল্লেগদের উপস্থিতি, আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাবকে লক্ষ্যনীয়ভাবে হ্রাস ঘটিয়েছে।
এ প্রতিবেদনের শেষাংশে উল্লিখিত হয়েছে: আল আযহারের মিসর সরকারের সাথে সম্পর্কই এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে হুমকির সম্মুখীন করেছে। কেননা আল আযহার বিশ্ব বিদ্যালয় হতে যে সকল ফতোয়া প্রকাশিত হয় তা দ্বীনি দিক থেকে সঠিক হলেও মানুষের মনে এ প্রশ্ন অবশিষ্ট থেকে যায় যে, এ ফতোয়া দানের পেছনে মিসর সরকার কোন হাত আছে কি না? #560558