রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ: আযারবাইজানের রাজধানী বাকু’র বেশ কিছু ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সেদেশের প্রেসিডেন্ট এলহাম আলীওভের নিকট এক পত্র প্রেরণ মারফত, আদালত কতৃর্ক হযরত ফাতেমা যাহরা (সা. আ.) মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা সংক্রান্ত নির্দেশের ব্যাপারে সরাসরি হস্তক্ষেপ তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
আযার বাইজান হতে প্রেরিত ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট: এ পত্রে বলা হয়েছে যে, হযরত ফাতেমা যাহর (সা. আ.) মসজিদ ভেঙ্গে দেয়ার নির্দেশ শুধুমাত্র আযারবাইজানের ধর্মপ্রাণ মু’মিনদেরকে মর্মাহত করেনি, বরং অন্যান্য মুসলিম দেশসমূহ বিশেষ করে তুরস্ক ও ইরানের ধর্মপ্রাণ সমাজকে মর্মাহত করেছে।
এ পত্রে স্বাক্ষরকারীগণ আরো উল্লেখ করেছেন যে, কাফকায মুসলিম পরিষদসহ বাকু শহরের ধর্মপ্রাণ লোকেরা এ’তে মর্মাহত। যেভাবে প্রেসিডেন্টের সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দেশে আযান প্রচারের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি সমাধান হয়েছে সেভাবে মসজিদ ধ্বংসের ব্যাপারটি সামাধান হবে বলে আমরা আমরা আশাবাদী।
আদালত ‘এ মসজিদ তৈরীর কোন বৈধতা নেই’ এ কথা উল্লেখ করে মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ জারী করেছে বলে জানা গেছে। অথচ এ মসজিদ পরিচালনা কমিটির বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিগত প্রেসিডেন্টের যুগে এ মসজিদ নির্মাণের বৈধতা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, অর্ধনির্মিত এ মসজিদের স্থানটি একটি উপযুক্ত স্থান হওয়ায় বাকু শহরের ‘সুরা খানলী’ অঞ্চলের কমিশনার এ মসজিদ ভেঙ্গে এস্থানে একটি শপিং মল অথবা বিনোদন কেন্দ্র তৈরীর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। #575675