ইসলামি মাযহাবসমূহ নিকটবর্তীকরণ সংস্থার জনসংযোগ বিভাগের বরাত দিয়ে ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট: ইসলামি মাযহাবসমূহ নিকটবর্তীকরণ সংস্থার প্রেসিডেন্ট আয়াতুল্লাহ তাসখিরী কিছু কিছু অবমাননাকর বিষয় ও ভ্রান্ত চিন্তাধারার প্রতি ইশারা করে এদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের প্রতি পত্র প্রেরণ করে অন্যায্য অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতদের বিচারকার্য লাঘব করে ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ পত্রে বলা হয়েছে: সালাঙ্গুর প্রদেশে শবে আশুরাতে (মহররমের ৯ তারিখের রাতে) যা কিছু ঘটেছে তাতে আমরা বিস্মিত এবং এ ধরণের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। এ প্রদেশের মু’মিনদের একটি দল শহীদদের নেতা ও মহানবী (স.) এ দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.) এর শাহাদতের রাতে শান্তিপূর্ণভাবে শোক অনুষ্ঠান পালনের জন্য সমবেত হয়েছিল। কিন্তু সালাঙ্গুর প্রদেশের ধর্মবিষয়ক কর্মকর্তা শেইখুল মুনাদি’র –যিনি শিয়াদেরকে বিভ্রান্ত চিন্তাধারার অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন- ফতওয়া উপেক্ষা করার বাহানায় সমবেত আযাদারদের (শোক পালনকারী) উপর হামলা চালায়।
প্রকৃত বিষয়ট হল; ইসলামি মাযহাবসমূহের মাঝে বিদ্যমান ফেকাহগত মত পার্থক্যের কারণে যেন অন্যকে কাফের, ফাসেক ও বেদআত প্রণয়নকারী বলে আখ্যায়িত না করা হয়। কেননা এর মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ’র ঐক্যে ফাঁটলের সৃষ্টি হবে।
উল্লেখ্য যে, সালাঙ্গুর প্রদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ধর্মবিষয়ক বাহিনীর অফিসাররা ৯ই মহররম ইমাম হুসাইন (আ.) এর শাহাদতের রাতে ইমাম রেজা (আ.) মাদ্রাসার ইমামবাড়ীতে হামলা চালিয়ে আযাদারীরত ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।#729530