IQNA

ফেকাহগত মতপার্থক্য মুসলমানদেরকে কাফের আখ্যায়িত করার কারণ হওয়া উচিত নয়

23:42 - January 14, 2011
সংবাদ: 2064300
আন্তর্জাতিক বিভাগ : ইসলামি মাযহাবসমূহ নিকটবর্তীকরণ সংস্থার প্রেসিডেন্ট মালয়েশিয়ার সালাঙ্গুর প্রদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ও ধর্ম বিষয়ক বাহিনীর অফিসারদের কর্তৃক ইমাম হুসাইন (আ.) শাহাদতের শোকে শোকার্ত ব্যক্তিদের উপর হামলার ঘটনায় সৃষ্ট ফেতনা রোধে এদেশের ধর্মীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ইসলামি মাযহাবসমূহ নিকটবর্তীকরণ সংস্থার জনসংযোগ বিভাগের বরাত দিয়ে ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট: ইসলামি মাযহাবসমূহ নিকটবর্তীকরণ সংস্থার প্রেসিডেন্ট আয়াতুল্লাহ তাসখিরী কিছু কিছু অবমাননাকর বিষয় ও ভ্রান্ত চিন্তাধারার প্রতি ইশারা করে এদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের প্রতি পত্র প্রেরণ করে অন্যায্য অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতদের বিচারকার্য লাঘব করে ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ পত্রে বলা হয়েছে: সালাঙ্গুর প্রদেশে শবে আশুরাতে (মহররমের ৯ তারিখের রাতে) যা কিছু ঘটেছে তাতে আমরা বিস্মিত এবং এ ধরণের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। এ প্রদেশের মু’মিনদের একটি দল শহীদদের নেতা ও মহানবী (স.) এ দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.) এর শাহাদতের রাতে শান্তিপূর্ণভাবে শোক অনুষ্ঠান পালনের জন্য সমবেত হয়েছিল। কিন্তু সালাঙ্গুর প্রদেশের ধর্মবিষয়ক কর্মকর্তা শেইখুল মুনাদি’র –যিনি শিয়াদেরকে বিভ্রান্ত চিন্তাধারার অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন- ফতওয়া উপেক্ষা করার বাহানায় সমবেত আযাদারদের (শোক পালনকারী) উপর হামলা চালায়।
প্রকৃত বিষয়ট হল; ইসলামি মাযহাবসমূহের মাঝে বিদ্যমান ফেকাহগত মত পার্থক্যের কারণে যেন অন্যকে কাফের, ফাসেক ও বেদআত প্রণয়নকারী বলে আখ্যায়িত না করা হয়। কেননা এর মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ’র ঐক্যে ফাঁটলের সৃষ্টি হবে।
উল্লেখ্য যে, সালাঙ্গুর প্রদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ধর্মবিষয়ক বাহিনীর অফিসাররা ৯ই মহররম ইমাম হুসাইন (আ.) এর শাহাদতের রাতে ইমাম রেজা (আ.) মাদ্রাসার ইমামবাড়ীতে হামলা চালিয়ে আযাদারীরত ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।#729530
captcha