ISESCO ওয়েব সাইটের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, যে সকল শিশুরা এদেশের রাজধানীতে আয়োজিত আইসেসকোর হেজফে কোরআন বিষয়ক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় না তাদেরকে শিক্ষা সেবা দেয়ার উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
শিশুদেরকে পবিত্র কোরআন মুখস্ত করানোর প্রতি উত্সাহিত করা, চাদের শিক্ষা সমাজে (বিশেষতঃ উত্তর অঞ্চলীয় এলাকাসমূহে) কোরআনিক স্কুলসমূহের স্থান প্রতিষ্ঠা করা এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, এ প্রতিযোগিতা সমাপ্ত হওয়ার পর একটি সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। এতে চাদের জাতীয় শিক্ষাবোর্ডে আইসেসকো প্রতিনিধি আলী মুহাম্মাদ সালেহ উপস্থিত থাকবেন।#764719