Leprogres এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট: শ্যাম্পানিওল শহরের পুলিশের এক কর্মকর্তা এ কথা উল্লেখ করে বলেছেন: ঐ যুবকদেরকে গ্রেপ্তারের পূর্বে ধারণা করেছিলাম যে, বর্ণবাদী চিন্তাধারার প্রভাবেই উক্ত মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। অথবা কোন সন্ত্রাসী হামলাও হতে পারে। কিন্তু অল্প বয়স্ক গ্রেপ্তারকৃতদেরকে দেখে বুঝতে পেরেছি যে, মূর্খতা বশতঃ যুবকরা ঐ হামলা চালিয়েছে বা জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তারা ঐ হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন: গ্রেপ্তারকৃত যুবকরা অন্যান্যদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ভাঙ্গা ক্রুশ বা (জার্মানী’র) নাযিদের চিহ্ন গলায় ঝুলাতো। তাদের আশেপাশের অধিকাংশ লোকই এ ধরণের চিহ্নের অর্থ বুঝতো না। এ কারণেই গ্রেপ্তারকৃত যুবকরা অধিক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ঐ চিহ্নগুলোকে মসজিদে এঁকে রেখে যায়, যাতে অধিক সংখ্যক লোক সেগুলোর প্রতি দৃষ্টি দেয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত যুবকরা গত ১৬ই মে শ্যাম্পানিওল শহরের মসজিদে অবমাননা ও হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে। তারা রাতের আঁধারে উক্ত মসজিদের গায়ে ভাঙ্গা ক্রুশের ছবি এঁকে রেখে যায়।#804650