ইরানী কুরআন বিষয়ক সংবাদ সংস্থা (ইকনা),«Daily Times» সংবাদপত্রের উদ্ধৃত রিপোর্ট: এই প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের দশ জন বিশিষ্ট খোশনবিশের পঞ্চশটিরও বেশী কোরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফিটির কাজ (হস্ত লিখিত) উপস্থাপন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের সনেটের সদস্য “নাজমা হামিদ” এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, ইসলামী আদি এবং অদ্বিতীয় শিল্প হচ্ছে ক্যালিগ্রাফিটি এবং এই শিল্প ইসলামী হুকুমতের সুবর্ণ সময়কে মনে করিয়ে দেয়। এর জন্য বাজেট বাড়াতে হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরিত করেত হবে।
শিল্প সোসাইটি “রাওয়ালপিন্ডি”-এর পরিচালক “ওয়াকার আহমদ” বলেছেন, এই প্রদর্শনীতে কোরআনের আয়াতগুলো প্রভাবিত করে লেখা হয়েছে। ক্যালিগ্রাফিটি, ইসলামের মধ্যে সবচেয়ে মহত্তম শিল্প যা কোরআনের আয়াত সমূহকে পরিচয় করিয়ে দেয়।
তিনি আরো বলেছেন, এই প্রদর্শনীটি প্রতি বছর পবিত্র রমজান মাসের শেষ সপ্তাহে উদযাপন করা হবে এবং এর উদ্দেশ্য হল, জনগণের মধ্যে ইসলামী শিল্পকলা ও ঐতিহ্যগুলো তুলে ধরা।
এই প্রদর্শনীটি এক সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
908444#