IQNA

সর্বোচ্চ নেতা;

ইসলামি উম্মতগণ, ইসলামের নতুন সভ্যতাকে প্রতিষ্ঠা করবে

22:42 - January 01, 2016
সংবাদ: 2600008
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকারী কর্মকর্তা, ইসলামী দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত এবং তেহরানে অনুষ্ঠিত ইসলামি ঐক্য সম্মেলনে যোগ দেয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধির সাথে এক সাক্ষাতকারে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী গুরুত্বারোপ করে বলেন: “আজ জ্ঞান, যুক্তি, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা ও বৈশ্বিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে ‘ইসলামের নতুন সভ্যতা’র দিকে ধাবিত হতে হবে”।
বার্তা সংস্থা ইকনা: মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এবং ইমাম জাফর সাদিকে (আ.)এর পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইরানের সরকারী কর্মকর্তা, ইসলামী দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত এবং তেহরানে অনুষ্ঠিত ইসলামি ঐক্য সম্মেলন যোগ দেয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি সহ সমাজের বিভিন্ন জাতির মানুষ আজ (২৯শে ডিসেম্বর) সকালে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সাথে দেখা করেন।
মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এবং ইমাম জাফর সাদিকে (আ.)এর পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী উপস্থিত সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন: "আজ জ্ঞান, যুক্তি, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা ও বৈশ্বিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে ‘ইসলামের নতুন সভ্যতা’র দিকে ধাবিত হতে হবে”।
তিনি বলেন: ইসলামের নতুন সভ্যতার অর্থ বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা, মানবাধিকার লঙ্ঘন করা নয়। যা পশ্চিমা সভ্যতার মধ্যে প্রচলিত রয়েছে। বরং ইসলামের নতুন সভ্যতার অর্থ হচ্ছে, ঐশ্বরিক কর্মদক্ষতাকে মানুষের মধ্যে অনুদান করা এবং স্বয়ং মানুষের মাধ্যমে সঠিক পথকে নির্ধারণ করা।
এছাড়াও তিনি বর্তামান পরিস্থিতির আলোকে বলেন: মুসলমানদের মধ্যে যুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা করছে শত্রুরা। আর এর মাধ্যমে তারা মুসলিম দেশগুলোকে ধ্বংস করতে চায়।
সর্বোচ্চ নেতা বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শত্রুরা কিছুক্ষেত্রে তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে সক্ষম হয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স)’র পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন, "শত্রুরা একের পর এক মুসলিম দেশ ধ্বংস করে চলেছে। তারা সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়া ধ্বংস করছে। তারা বাহরাইনে মুসলমানদেরকে চাপের মধ্যে রেখেছে।”
তেহরানে অনুষ্ঠিত ইসলামি ঐক্য সম্মেলন যোগ দেয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে আজ সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেছেন। সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে মুসলিম দেশগুলোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ও ইরানের বহু কর্মকর্তা উপস্থিতি ছিলেন। মুসলমানদের এই দুর্দিনে মুসলিম দেশগুলোর নীরবতার সমালোচনা করেন সর্বোচ্চ নেতা। তিনি বলেন, "নাইজেরিয়ায় কেন শান্তিকামী ও বিশ্বাসী আলেম আল্লামা ইব্রাহিম আজ-জাকজাকির ওপর এমন নির্যাতন চালানো হলো? কেন মুসলিম বিশ্ব এ বিষয় নীরব?
3470656
captcha